আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং সংবাদের নির্ধারিত নিয়ম মেনে নিউজ স্ক্রিপ্টটি নিচে উপস্থাপন করছি: পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি ‘নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি’ বা এনপিটি (NPT) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইরান। রোববার (২৯ মার্চ) তেহরানের সংসদসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জরুরি ভিত্তিতে এই বিষয়টি পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে তাসনিম নিউজ। ইরানের দাবি, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) তাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক নগ্ন হামলার পরও আইএইএ কোনো ধরনের নিন্দা বা বাধা প্রদান না করায় এই চুক্তিতে থাকার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করছে দেশটি। ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, এনপিটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে তারা পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বরং তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো আইএইএ পরিদর্শকদের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গুপ্তচরবৃত্তির সুযোগ চিরতরে বন্ধ করা। আইএইএ-র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি পরোক্ষভাবে শত্রু পক্ষকে ইরানি স্থাপনায় হামলা চালাতে উৎসাহিত করেছেন বলেও অভিযোগ তুলেছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিক এই চুক্তি থেকে সরে আসাকেই একমাত্র পথ হিসেবে বেছে নিচ্ছে ইরান। উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত এনপিটি চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা। বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল এবং দক্ষিণ সুদান ছাড়া বিশ্বের প্রায় সব দেশই এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। ইরান এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলে মধ্যপ্রাচ্যের পারমাণবিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক পরিদর্শনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে। যুদ্ধের এই উত্তপ্ত আবহে ইরানের এমন কঠোর সিদ্ধান্ত বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং সংবাদের নির্ধারিত নিয়ম মেনে নিউজ স্ক্রিপ্টটি নিচে উপস্থাপন করছি: পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি ‘নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি’ বা এনপিটি (NPT) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইরান। রোববার (২৯ মার্চ) তেহরানের সংসদসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জরুরি ভিত্তিতে এই বিষয়টি পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে তাসনিম নিউজ। ইরানের দাবি, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) তাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক নগ্ন হামলার পরও আইএইএ কোনো ধরনের নিন্দা বা বাধা প্রদান না করায় এই চুক্তিতে থাকার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করছে দেশটি। ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, এনপিটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে তারা পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বরং তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো আইএইএ পরিদর্শকদের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গুপ্তচরবৃত্তির সুযোগ চিরতরে বন্ধ করা। আইএইএ-র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি পরোক্ষভাবে শত্রু পক্ষকে ইরানি স্থাপনায় হামলা চালাতে উৎসাহিত করেছেন বলেও অভিযোগ তুলেছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিক এই চুক্তি থেকে সরে আসাকেই একমাত্র পথ হিসেবে বেছে নিচ্ছে ইরান। উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত এনপিটি চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা। বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল এবং দক্ষিণ সুদান ছাড়া বিশ্বের প্রায় সব দেশই এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। ইরান এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলে মধ্যপ্রাচ্যের পারমাণবিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক পরিদর্শনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে। যুদ্ধের এই উত্তপ্ত আবহে ইরানের এমন কঠোর সিদ্ধান্ত বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে, যা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন