সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তাদের আকাশসীমায় ধেয়ে আসা ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৭টি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করার দাবি করেছে। শনিবার (২৮ মার্চ) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে সরাসরি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নজিরবিহীন আক্রমণ মোকাবিলা করছে। মন্ত্রণালয় প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশটি মোট ৩৯৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৫টি ক্রুজ মিসাইল এবং ১ হাজার ৮৭২টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। আকাশপথে এই ভয়াবহ সংঘাতের ফলে আমিরাতে এখন পর্যন্ত ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৮ জনই সাধারণ বেসামরিক নাগরিক।
সাম্প্রতিক এই উত্তেজনার মধ্যে আবুধাবির খলিফা ইকোনমিক জোনের কাছে একটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় আকাশ থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ৫ জন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন। এই ঘটনাটি আমিরাতের প্রবাসী ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ইউএই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, দেশের আকাশসীমা এবং নাগরিকদের জানমাল সুরক্ষিত রাখতে তারা বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক বা নাশকতামূলক হামলার দাঁতভাঙা জবাব দিতে তাদের সামরিক বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের আঁচ এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো স্থিতিশীল দেশগুলোতেও সরাসরি অনুভূত হচ্ছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এই সাফল্য যেমন আমিরাতের সক্ষমতা তুলে ধরছে, তেমনি বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তাকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে। দেশটির সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই অস্থিরতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তাদের আকাশসীমায় ধেয়ে আসা ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৭টি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করার দাবি করেছে। শনিবার (২৮ মার্চ) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে সরাসরি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নজিরবিহীন আক্রমণ মোকাবিলা করছে। মন্ত্রণালয় প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশটি মোট ৩৯৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৫টি ক্রুজ মিসাইল এবং ১ হাজার ৮৭২টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। আকাশপথে এই ভয়াবহ সংঘাতের ফলে আমিরাতে এখন পর্যন্ত ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৮ জনই সাধারণ বেসামরিক নাগরিক।
সাম্প্রতিক এই উত্তেজনার মধ্যে আবুধাবির খলিফা ইকোনমিক জোনের কাছে একটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় আকাশ থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ৫ জন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন। এই ঘটনাটি আমিরাতের প্রবাসী ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ইউএই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, দেশের আকাশসীমা এবং নাগরিকদের জানমাল সুরক্ষিত রাখতে তারা বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক বা নাশকতামূলক হামলার দাঁতভাঙা জবাব দিতে তাদের সামরিক বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের আঁচ এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো স্থিতিশীল দেশগুলোতেও সরাসরি অনুভূত হচ্ছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এই সাফল্য যেমন আমিরাতের সক্ষমতা তুলে ধরছে, তেমনি বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তাকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে। দেশটির সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই অস্থিরতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন