দিনাজপুরের বিরামপুরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বালুবাহী ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের প্রচণ্ড ধাক্কায় দুই জন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বিরামপুর উপজেলার ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর এলাকায় এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী ‘হেরিটেজ’ পরিবহনের একটি স্লিপার কোচ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকটিকে সজোরে আঘাত করে। এতে বাসের সামনের অংশে থাকা দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এবং অন্তত ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে বিরামপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি, তবে পুলিশ তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ভোরে কুয়াশা বা চালকের ক্লান্তির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মহাসড়কের পাশে অবৈধভাবে ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকার কারণে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই শোকাবহ ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
দিনাজপুরের বিরামপুরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বালুবাহী ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের প্রচণ্ড ধাক্কায় দুই জন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বিরামপুর উপজেলার ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর এলাকায় এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী ‘হেরিটেজ’ পরিবহনের একটি স্লিপার কোচ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকটিকে সজোরে আঘাত করে। এতে বাসের সামনের অংশে থাকা দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এবং অন্তত ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে বিরামপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি, তবে পুলিশ তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ভোরে কুয়াশা বা চালকের ক্লান্তির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মহাসড়কের পাশে অবৈধভাবে ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকার কারণে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই শোকাবহ ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন