ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ এক ভয়াবহ ও নজিরবিহীন রূপ নিয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) মধ্যরাতের পর থেকে রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত ইসরায়েলের বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক স্থাপনা ও জনবহুল শহর লক্ষ্য করে অন্তত পাঁচ দফায় শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই হামলায় জেরুজালেম, মধ্য-ইসরায়েল এবং লোহিত সাগর লাগোয়া অঞ্চলগুলোতে দফায় দফায় সাইরেন বেজে ওঠে, যার ফলে কয়েক লাখ বাসিন্দা প্রাণভয়ে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে আশ্রয় নেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরান থেকে ধেয়ে আসা বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ-আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে উত্তর ইসরায়েলে অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনশূন্য উন্মুক্ত স্থানে আঘাত হেনেছে, যা সামরিক প্রটোকল অনুযায়ী আঘাত হানতে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। একই সময়ে লেবানন থেকেও উত্তর ইসরায়েলে একযোগে রকেট হামলা চালানো হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। আইডিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে এই পাঁচ দফা আক্রমণকে তাদের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের ‘যৌক্তিক ও পরিকল্পিত জবাব’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। যদিও সর্বশেষ দফার হামলায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে শফেলা ও লোহিত সাগর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে এখনো উচ্চ-সতর্কবার্তা জারি রয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতাকে বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে ফেলে দিয়েছে। এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতাকে এক চূড়ান্ত ও অনিশ্চিত যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ এক ভয়াবহ ও নজিরবিহীন রূপ নিয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) মধ্যরাতের পর থেকে রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত ইসরায়েলের বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক স্থাপনা ও জনবহুল শহর লক্ষ্য করে অন্তত পাঁচ দফায় শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই হামলায় জেরুজালেম, মধ্য-ইসরায়েল এবং লোহিত সাগর লাগোয়া অঞ্চলগুলোতে দফায় দফায় সাইরেন বেজে ওঠে, যার ফলে কয়েক লাখ বাসিন্দা প্রাণভয়ে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে আশ্রয় নেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরান থেকে ধেয়ে আসা বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ-আকাশে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে উত্তর ইসরায়েলে অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনশূন্য উন্মুক্ত স্থানে আঘাত হেনেছে, যা সামরিক প্রটোকল অনুযায়ী আঘাত হানতে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ। একই সময়ে লেবানন থেকেও উত্তর ইসরায়েলে একযোগে রকেট হামলা চালানো হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। আইডিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে এই পাঁচ দফা আক্রমণকে তাদের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের ‘যৌক্তিক ও পরিকল্পিত জবাব’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। যদিও সর্বশেষ দফার হামলায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে শফেলা ও লোহিত সাগর সংলগ্ন এলাকাগুলোতে এখনো উচ্চ-সতর্কবার্তা জারি রয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই ধারাবাহিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতাকে বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে ফেলে দিয়েছে। এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতাকে এক চূড়ান্ত ও অনিশ্চিত যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন