মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বিধ্বংসী যুদ্ধ ৩০তম দিনে পা রাখার মাহেন্দ্রক্ষণে শান্তি ফেরানোর এক বড় ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। আল জাজিরার প্রতিবেদন এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিশ্চিতকরণ অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধের পথ খুঁজতেই পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পুরো মধ্যপ্রাচ্য রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এই চারটি দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং সম্প্রতি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের ফলে পরিস্থিতি এক অনিয়ন্ত্রিত মহাযুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছিল। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের বৈঠকটি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এক নতুন আশার আলো হিসেবে দেখা দিয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের উদ্যোগ এবং চার দেশের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে কাজ করছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ইরান পাল্টা প্রতিশোধের হুঙ্কার দিচ্ছে, তখন এই চার শক্তির মধ্যস্থতা কতটুকু কার্যকর হবে—এখন সেটিই বড় প্রশ্ন। ইসলামাবাদের এই বৈঠকের ফলাফলই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্য কি শান্তির পথে ফিরবে, নাকি আরও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাবে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বিধ্বংসী যুদ্ধ ৩০তম দিনে পা রাখার মাহেন্দ্রক্ষণে শান্তি ফেরানোর এক বড় ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। আল জাজিরার প্রতিবেদন এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিশ্চিতকরণ অনুযায়ী, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধের পথ খুঁজতেই পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পুরো মধ্যপ্রাচ্য রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এই চারটি দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং সম্প্রতি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের ফলে পরিস্থিতি এক অনিয়ন্ত্রিত মহাযুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছিল। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের বৈঠকটি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এক নতুন আশার আলো হিসেবে দেখা দিয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের উদ্যোগ এবং চার দেশের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে কাজ করছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ইরান পাল্টা প্রতিশোধের হুঙ্কার দিচ্ছে, তখন এই চার শক্তির মধ্যস্থতা কতটুকু কার্যকর হবে—এখন সেটিই বড় প্রশ্ন। ইসলামাবাদের এই বৈঠকের ফলাফলই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্য কি শান্তির পথে ফিরবে, নাকি আরও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন