মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এক নতুন ও কৌশলগত বিজয় দাবি করেছে ইরান। রোববার (২৯ মার্চ) তেহরানের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-কে পিছু হটতে বাধ্য করার মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালির পূর্ণ ও একক নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সেনারা। আল জাজিরার বরাতে ইরানি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মার্কিন এই রণতরীটি ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে, যা এই পানিপথে মার্কিন আধিপত্যের বড় ধরনের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানি নৌ-কমান্ডাররা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, তারা মার্কিন বাহিনীকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালে পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কঠোর নজরদারির কারণে মার্কিন বাহিনী এখন পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। এর আগে আব্রাহাম লিঙ্কন আরব সাগরে অবস্থান নিয়ে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছিল, যা হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে ইরানের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন সেই বাধা দূর হওয়ায় তেহরান দাবি করছে, এই পানিপথ দিয়ে নৌযান চলাচল এখন থেকে তাদের একক সিদ্ধান্তে নিয়ন্ত্রিত হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান কৌশলগত এই পথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বিশাল অংশ সরবরাহ হয়। ইরানের এই পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সংকটের মুখে ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা। একদিকে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক যখন যুদ্ধ বন্ধে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে সমুদ্রপথে ইরানের এই একাধিপত্য বিস্তার মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে এক নতুন ও জটিল সমীকরণের দিকে ঠেলে দিল।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এক নতুন ও কৌশলগত বিজয় দাবি করেছে ইরান। রোববার (২৯ মার্চ) তেহরানের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-কে পিছু হটতে বাধ্য করার মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালির পূর্ণ ও একক নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সেনারা। আল জাজিরার বরাতে ইরানি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মার্কিন এই রণতরীটি ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে, যা এই পানিপথে মার্কিন আধিপত্যের বড় ধরনের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানি নৌ-কমান্ডাররা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, তারা মার্কিন বাহিনীকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালে পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কঠোর নজরদারির কারণে মার্কিন বাহিনী এখন পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। এর আগে আব্রাহাম লিঙ্কন আরব সাগরে অবস্থান নিয়ে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছিল, যা হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে ইরানের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন সেই বাধা দূর হওয়ায় তেহরান দাবি করছে, এই পানিপথ দিয়ে নৌযান চলাচল এখন থেকে তাদের একক সিদ্ধান্তে নিয়ন্ত্রিত হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান কৌশলগত এই পথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বিশাল অংশ সরবরাহ হয়। ইরানের এই পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সংকটের মুখে ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা। একদিকে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক যখন যুদ্ধ বন্ধে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে সমুদ্রপথে ইরানের এই একাধিপত্য বিস্তার মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে এক নতুন ও জটিল সমীকরণের দিকে ঠেলে দিল।

আপনার মতামত লিখুন