পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে। আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই নিজেদের নির্বাচনী ইশতেহার বা ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্তত সাতটি মূল খাতের ওপর ভিত্তি করে এই ইশতেহার প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে তৃণমূল সরকারের বর্তমান ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের মাসিক ভাতা বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করার পাশাপাশি বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় মাসে ৩,০০০ টাকা ভাতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
বিজেপির এই ইশতেহারে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সিঙ্গুর ইস্যুতে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটাতে স্থানীয় জমির মালিকদের সম্মতি নিয়ে সেখানে একটি আধুনিক ‘শিল্প উদ্যান’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এছাড়া রাজ্যে চারটি বৃহৎ শিল্প পার্ক স্থাপন এবং আসানসোল, হাওড়া ও ব্যারাকপুরের শিল্পাঞ্চল পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য সেখানে আইআইটি (IIT) ও আইআইএম (IIM) প্রতিষ্ঠা এবং মালদহ ও বালুরঘাটে বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও সংকল্পপত্রে উল্লেখ থাকতে পারে।
প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বিজেপি ‘শূন্য সহনশীলতা’ বা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা জানিয়েছে। কয়লা, বালি ও পাথরের অবৈধ লুটপাট বন্ধ এবং সিন্ডিকেট রাজ নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) ৪৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ এবং স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সব শূন্যপদ পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বাম ও তৃণমূলের গত পাঁচ দশকের শাসনকে ‘অবনমনের অধ্যায়’ হিসেবে সমালোচনা করা হলেও, বিধানচন্দ্র রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এক ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক কৌশলের ইঙ্গিত দিয়েছে বিজেপি।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে। আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই নিজেদের নির্বাচনী ইশতেহার বা ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্তত সাতটি মূল খাতের ওপর ভিত্তি করে এই ইশতেহার প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে তৃণমূল সরকারের বর্তমান ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের মাসিক ভাতা বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করার পাশাপাশি বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় মাসে ৩,০০০ টাকা ভাতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
বিজেপির এই ইশতেহারে কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সিঙ্গুর ইস্যুতে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটাতে স্থানীয় জমির মালিকদের সম্মতি নিয়ে সেখানে একটি আধুনিক ‘শিল্প উদ্যান’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এছাড়া রাজ্যে চারটি বৃহৎ শিল্প পার্ক স্থাপন এবং আসানসোল, হাওড়া ও ব্যারাকপুরের শিল্পাঞ্চল পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য সেখানে আইআইটি (IIT) ও আইআইএম (IIM) প্রতিষ্ঠা এবং মালদহ ও বালুরঘাটে বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও সংকল্পপত্রে উল্লেখ থাকতে পারে।
প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বিজেপি ‘শূন্য সহনশীলতা’ বা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা জানিয়েছে। কয়লা, বালি ও পাথরের অবৈধ লুটপাট বন্ধ এবং সিন্ডিকেট রাজ নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) ৪৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ এবং স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সব শূন্যপদ পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বাম ও তৃণমূলের গত পাঁচ দশকের শাসনকে ‘অবনমনের অধ্যায়’ হিসেবে সমালোচনা করা হলেও, বিধানচন্দ্র রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এক ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক কৌশলের ইঙ্গিত দিয়েছে বিজেপি।

আপনার মতামত লিখুন