ঢাকা নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে নামতে শুরু করেছে মার্কিন বিশেষ ‘এয়ারবর্ন’ সেনা: ট্রাম্পের বড় অভিযানের ইঙ্গিত?



মধ্যপ্রাচ্যে নামতে শুরু করেছে মার্কিন বিশেষ ‘এয়ারবর্ন’ সেনা: ট্রাম্পের বড় অভিযানের ইঙ্গিত?
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এক চূড়ান্ত ও ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স নিশ্চিত করেছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার প্যারাট্রুপার ইতোমধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোতে নামতে শুরু করেছে। নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে আসা এই বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন সেনারা গত সপ্তাহান্তে পৌঁছানো ২,৫০০ মেরিন সদস্য এবং নৌসেনাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মোতায়েন ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি স্থল অভিযানের পথ প্রশস্ত করছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এখনো ইরানের ভেতরে সরাসরি সেনা পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্যারাট্রুপারদের ব্যবহার করে ইরানের অর্থনীতির ফুসফুস হিসেবে পরিচিত ‘খার্গ আইল্যান্ড’ দখল বা ধ্বংস করার চেষ্টা করা হতে পারে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারেও ট্রাম্প এই বাহিনীকে ব্যবহার করতে পারেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প চাচ্ছেন হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেই ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের একটি যবনিকাপাত করতে।

অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে, সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্যগুলো অর্জনের কাজ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হবে। তবে সমান্তরালভাবে ইরানের পক্ষ থেকেও ‘কঠিন হুঁশিয়ারি’ দেওয়া হয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন সেনারা তাদের ফায়ারিং রেঞ্জে আসা মাত্রই কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে। বিশ্ব অর্থনীতি যখন এই যুদ্ধের প্রভাবে টালমাটাল, তখন ট্রাম্পের এই বিশেষ সেনা মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘমেয়াদী এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬


মধ্যপ্রাচ্যে নামতে শুরু করেছে মার্কিন বিশেষ ‘এয়ারবর্ন’ সেনা: ট্রাম্পের বড় অভিযানের ইঙ্গিত?

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এক চূড়ান্ত ও ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স নিশ্চিত করেছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার প্যারাট্রুপার ইতোমধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোতে নামতে শুরু করেছে। নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে আসা এই বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন সেনারা গত সপ্তাহান্তে পৌঁছানো ২,৫০০ মেরিন সদস্য এবং নৌসেনাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মোতায়েন ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি স্থল অভিযানের পথ প্রশস্ত করছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, এখনো ইরানের ভেতরে সরাসরি সেনা পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্যারাট্রুপারদের ব্যবহার করে ইরানের অর্থনীতির ফুসফুস হিসেবে পরিচিত ‘খার্গ আইল্যান্ড’ দখল বা ধ্বংস করার চেষ্টা করা হতে পারে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারেও ট্রাম্প এই বাহিনীকে ব্যবহার করতে পারেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প চাচ্ছেন হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেই ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধের একটি যবনিকাপাত করতে।

অন্যদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে, সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্যগুলো অর্জনের কাজ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হবে। তবে সমান্তরালভাবে ইরানের পক্ষ থেকেও ‘কঠিন হুঁশিয়ারি’ দেওয়া হয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন সেনারা তাদের ফায়ারিং রেঞ্জে আসা মাত্রই কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে। বিশ্ব অর্থনীতি যখন এই যুদ্ধের প্রভাবে টালমাটাল, তখন ট্রাম্পের এই বিশেষ সেনা মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘমেয়াদী এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ