ঢাকা নিউজ

ইরান যুদ্ধ কি ‘শেষ জামানা’র ইঙ্গিত? ৪ ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণীর মিল দেখছেন বিশ্লেষকরা



ইরান যুদ্ধ কি ‘শেষ জামানা’র ইঙ্গিত? ৪ ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণীর মিল দেখছেন বিশ্লেষকরা
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক হামলার শঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক বাইবেল গবেষক ও ধর্মীয় বিশ্লেষক দাবি করছেন, প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো হয়তো এখন অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এবং গত কয়েকদিনের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অন্তত চারটি প্রধান ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণীর মিল খুঁজে পাচ্ছেন তারা।

বিশ্লেষকরা বাইবেলের ইজেকিয়েন ৩৮:৫ অনুচ্ছেদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, সেখানে 'পারস্য' (ইরানের প্রাচীন নাম) সহ একটি জোটের কথা বলা হয়েছে যারা শেষ জমানায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। এছাড়া ম্যাথু ২৪:৬-৭ অনুচ্ছেদে যিশুর সেই বাণীর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যেখানে তিনি বলেছিলেন, "তোমরা যুদ্ধ ও যুদ্ধের গুজব শুনবে... জাতির বিরুদ্ধে জাতি এবং রাজ্যের বিরুদ্ধে রাজ্য উঠবে।" গবেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক মেরুকরণ সেই সংকেতই দিচ্ছে।

সবচেয়ে চমকপ্রদ মিল দেখা গেছে দুটি সাম্প্রতিক ঘটনায়। থেসালোনিকীয় ৫:৩ অনুযায়ী, যখন মানুষ 'শান্তি ও নিরাপত্তা'র কথা বলবে, তখনই হঠাৎ বিনাশ আসবে। কাকতালীয়ভাবে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ট্রাম্প যখন 'এখনই শান্তির সময়' বলে পোস্ট দিয়েছিলেন, ঠিক সেই দিনই সিরিয়ার দামেস্কে এক ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় ২২ জন নিহত হন। বাইবেলের ইশাইয়ার ভবিষ্যদ্বাণীতেও বলা হয়েছিল, 'দামেস্ক আর শহর থাকবে না, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে।' তবে অনেক ধর্মতাত্ত্বিক এই ধরনের ব্যাখ্যার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করে জানিয়েছেন, এগুলো বিশ্লেষকদের নিজস্ব মতামত এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এগুলোর ভিন্ন ব্যাখ্যাও থাকতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬


ইরান যুদ্ধ কি ‘শেষ জামানা’র ইঙ্গিত? ৪ ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণীর মিল দেখছেন বিশ্লেষকরা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক হামলার শঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক বাইবেল গবেষক ও ধর্মীয় বিশ্লেষক দাবি করছেন, প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো হয়তো এখন অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হচ্ছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এবং গত কয়েকদিনের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অন্তত চারটি প্রধান ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণীর মিল খুঁজে পাচ্ছেন তারা।

বিশ্লেষকরা বাইবেলের ইজেকিয়েন ৩৮:৫ অনুচ্ছেদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, সেখানে 'পারস্য' (ইরানের প্রাচীন নাম) সহ একটি জোটের কথা বলা হয়েছে যারা শেষ জমানায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। এছাড়া ম্যাথু ২৪:৬-৭ অনুচ্ছেদে যিশুর সেই বাণীর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যেখানে তিনি বলেছিলেন, "তোমরা যুদ্ধ ও যুদ্ধের গুজব শুনবে... জাতির বিরুদ্ধে জাতি এবং রাজ্যের বিরুদ্ধে রাজ্য উঠবে।" গবেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক মেরুকরণ সেই সংকেতই দিচ্ছে।

সবচেয়ে চমকপ্রদ মিল দেখা গেছে দুটি সাম্প্রতিক ঘটনায়। থেসালোনিকীয় ৫:৩ অনুযায়ী, যখন মানুষ 'শান্তি ও নিরাপত্তা'র কথা বলবে, তখনই হঠাৎ বিনাশ আসবে। কাকতালীয়ভাবে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর ট্রাম্প যখন 'এখনই শান্তির সময়' বলে পোস্ট দিয়েছিলেন, ঠিক সেই দিনই সিরিয়ার দামেস্কে এক ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় ২২ জন নিহত হন। বাইবেলের ইশাইয়ার ভবিষ্যদ্বাণীতেও বলা হয়েছিল, 'দামেস্ক আর শহর থাকবে না, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে।' তবে অনেক ধর্মতাত্ত্বিক এই ধরনের ব্যাখ্যার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করে জানিয়েছেন, এগুলো বিশ্লেষকদের নিজস্ব মতামত এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এগুলোর ভিন্ন ব্যাখ্যাও থাকতে পারে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ