ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানের আকাশে মঙ্গলবার ভোরে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন-ইসরাইলি ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। প্রায় ৩৩০ কোটি টাকা মূল্যের এই ড্রোনটিকে ‘আগ্রাসী শত্রুর’ সম্পদ হিসেবে বর্ণনা করে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট জানিয়েছে, আকাশসীমা লঙ্ঘনের চেষ্টার সময় এটি ধ্বংস করা হয়। বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নজরদারি ও নিখুঁত হামলার জন্য পরিচিত এই ড্রোনটিসহ ইরান এ পর্যন্ত মোট ১৪৬টি শত্রু ড্রোন ধ্বংস করার রেকর্ড গড়ল। এই ঘটনার সমান্তরালে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে মারকাজি প্রদেশের মাহাল্লাত শহরে অন্তত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইসফাহানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র গুদাম লক্ষ্য করে প্রায় ৯০৭ কেজি ওজনের শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনাটি ইরানের সামরিক সক্ষমতার এক বড় শক্তির জানান দিচ্ছে। একইসঙ্গে তেহরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি জোটের সামরিক চাপ ও ধ্বংসাত্মক হামলার তীব্রতা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানের আকাশে মঙ্গলবার ভোরে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন-ইসরাইলি ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। প্রায় ৩৩০ কোটি টাকা মূল্যের এই ড্রোনটিকে ‘আগ্রাসী শত্রুর’ সম্পদ হিসেবে বর্ণনা করে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট জানিয়েছে, আকাশসীমা লঙ্ঘনের চেষ্টার সময় এটি ধ্বংস করা হয়। বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নজরদারি ও নিখুঁত হামলার জন্য পরিচিত এই ড্রোনটিসহ ইরান এ পর্যন্ত মোট ১৪৬টি শত্রু ড্রোন ধ্বংস করার রেকর্ড গড়ল। এই ঘটনার সমান্তরালে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে মারকাজি প্রদেশের মাহাল্লাত শহরে অন্তত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইসফাহানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র গুদাম লক্ষ্য করে প্রায় ৯০৭ কেজি ওজনের শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনাটি ইরানের সামরিক সক্ষমতার এক বড় শক্তির জানান দিচ্ছে। একইসঙ্গে তেহরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি জোটের সামরিক চাপ ও ধ্বংসাত্মক হামলার তীব্রতা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

আপনার মতামত লিখুন