যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার ভোরে ইরানের ইসফাহান শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র গুদামে প্রায় ২০০০ পাউন্ড বা ৯০৭ কেজি ওজনের শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা নিক্ষেপ করেছে, যা আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এক মরণঘাতী অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। সাধারণ বোমার তুলনায় এটি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী; কারণ এর অত্যন্ত শক্ত ইস্পাতের আবরণ একে ড্রিলের মতো মাটি ও কয়েক স্তরের মজবুত কংক্রিট ভেদ করে গভীর সুড়ঙ্গ বা ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সাহায্য করে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসফাহানের এই হামলায় বিপুল সংখ্যক বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহার করা হয়েছে যা অত্যন্ত গভীরে গিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। এই বোমায় ব্যবহৃত ‘হার্ড টার্গেট স্মার্ট ফিউজ’ প্রযুক্তি ঘনত্বের পরিবর্তন বুঝে ঠিক কোন স্তরে বিস্ফোরণ ঘটাতে হবে তা নির্ধারণ করে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মানুষের কণ্ঠস্বর শনাক্ত করে বিস্ফোরণ ঘটানোর মতো ভয়ংকর প্রযুক্তিও এতে বিদ্যমান। আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় তৈরি এই বিশেষ বোমাটি মূলত পাহাড়ের গুহা বা মাটির নিচে লুকানো কমান্ড সেন্টার ধ্বংস করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হামলার মাধ্যমে ইরানকে এক চরম সতর্কবার্তা দেওয়া হলো যে তাদের মাটির নিচের সুরক্ষিত স্থাপনাগুলোও এখন আর মার্কিন প্রযুক্তির হাত থেকে নিরাপদ নয়। এই আধুনিক মারণাস্ত্রের ব্যবহার মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে এক নতুন ও বিধ্বংসী মাত্রা যোগ করেছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার ভোরে ইরানের ইসফাহান শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র গুদামে প্রায় ২০০০ পাউন্ড বা ৯০৭ কেজি ওজনের শক্তিশালী ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা নিক্ষেপ করেছে, যা আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এক মরণঘাতী অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। সাধারণ বোমার তুলনায় এটি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী; কারণ এর অত্যন্ত শক্ত ইস্পাতের আবরণ একে ড্রিলের মতো মাটি ও কয়েক স্তরের মজবুত কংক্রিট ভেদ করে গভীর সুড়ঙ্গ বা ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সাহায্য করে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসফাহানের এই হামলায় বিপুল সংখ্যক বাঙ্কার বাস্টার ব্যবহার করা হয়েছে যা অত্যন্ত গভীরে গিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। এই বোমায় ব্যবহৃত ‘হার্ড টার্গেট স্মার্ট ফিউজ’ প্রযুক্তি ঘনত্বের পরিবর্তন বুঝে ঠিক কোন স্তরে বিস্ফোরণ ঘটাতে হবে তা নির্ধারণ করে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মানুষের কণ্ঠস্বর শনাক্ত করে বিস্ফোরণ ঘটানোর মতো ভয়ংকর প্রযুক্তিও এতে বিদ্যমান। আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় তৈরি এই বিশেষ বোমাটি মূলত পাহাড়ের গুহা বা মাটির নিচে লুকানো কমান্ড সেন্টার ধ্বংস করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হামলার মাধ্যমে ইরানকে এক চরম সতর্কবার্তা দেওয়া হলো যে তাদের মাটির নিচের সুরক্ষিত স্থাপনাগুলোও এখন আর মার্কিন প্রযুক্তির হাত থেকে নিরাপদ নয়। এই আধুনিক মারণাস্ত্রের ব্যবহার মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে এক নতুন ও বিধ্বংসী মাত্রা যোগ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন