মস্কো এবং পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মাঝে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ব্রিটিশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে রাশিয়া। তবে যুক্তরাজ্য এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ অর্থহীন বলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ২০২৬ সালে ব্রিটিশ কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এটি দ্বিতীয় দফার ব্যবস্থা।
রাশিয়ার শীর্ষ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কূটনীতিক এমন কিছু গোয়েন্দা ও নাশকতামূলক তৎপরতায় লিপ্ত ছিলেন যা রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য হুমকিস্বরূপ। এফএসবির দাবি অনুযায়ী, ওই কূটনীতিক রাশিয়ার অর্থনীতি সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে রুশ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কিছু অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংস্থাটি বিস্তারিত কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি। ওই কূটনীতিককে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়া ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে রাশিয়ার এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ভিত্তিহীন অপপ্রচার বলে দাবি করেছে। দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানান, ব্রিটিশ দূতাবাস কর্মীদের ওপর কোনো ধরনের হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন যুক্তরাজ্য বরদাস্ত করবে না।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে মস্কো এবং ন্যাটো মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই দ্বিপাক্ষিক বিরোধের জেরে এর আগেও দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার পাল্টাপাল্টি কূটনীতিক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এবং গত বছরের মার্চেও একই ধরণের অভিযোগে কূটনীতিক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছিল।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
মস্কো এবং পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মাঝে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ব্রিটিশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে রাশিয়া। তবে যুক্তরাজ্য এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ অর্থহীন বলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ২০২৬ সালে ব্রিটিশ কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এটি দ্বিতীয় দফার ব্যবস্থা।
রাশিয়ার শীর্ষ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কূটনীতিক এমন কিছু গোয়েন্দা ও নাশকতামূলক তৎপরতায় লিপ্ত ছিলেন যা রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য হুমকিস্বরূপ। এফএসবির দাবি অনুযায়ী, ওই কূটনীতিক রাশিয়ার অর্থনীতি সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে রুশ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কিছু অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংস্থাটি বিস্তারিত কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি। ওই কূটনীতিককে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়া ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে রাশিয়ার এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ভিত্তিহীন অপপ্রচার বলে দাবি করেছে। দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানান, ব্রিটিশ দূতাবাস কর্মীদের ওপর কোনো ধরনের হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন যুক্তরাজ্য বরদাস্ত করবে না।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে মস্কো এবং ন্যাটো মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই দ্বিপাক্ষিক বিরোধের জেরে এর আগেও দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার পাল্টাপাল্টি কূটনীতিক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এবং গত বছরের মার্চেও একই ধরণের অভিযোগে কূটনীতিক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছিল।

আপনার মতামত লিখুন