মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর প্রেক্ষাপটে তথ্য পাচার ও গুপ্তচরবৃত্তি ঠেকাতে ইরানে টানা ৩২ দিন ধরে সাধারণ নাগরিকদের জন্য ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ব্ল্যাকআউটের ফলে দেশটির সাধারণ মানুষ টানা ৭৪৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে দাবি করেছে ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ গ্রুপ নেটব্লকস। তেহরানের দাবি, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বের অবস্থান সুরক্ষিত রাখতে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পুরো দেশ ইন্টারনেটহীন থাকলেও ইরানের কিছু নির্দিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, সরকারপন্থী ব্যবহারকারী এবং সংবাদকর্মীরা পূর্ণ ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করছেন। সাধারণ মানুষের একটি ক্ষুদ্র অংশ অত্যন্ত ব্যয়বহুল স্টারলিংক-এর মতো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করার চেষ্টা করলেও এটি ইরানি আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই ধরনের স্যাটেলাইট সরঞ্জাম ব্যবহারের দায়ে দেশটিতে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
বর্তমানে ইরানি কর্তৃপক্ষ স্টারলিংক ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করার জন্য ব্যাপক তল্লাশি ও পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে। সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়লেও কর্তৃপক্ষ এটি চালু করার বিষয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি। মূলত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যেন কোনো ধরনের সংবেদনশীল তথ্য শত্রুপক্ষের হাতে না পৌঁছায়, সেটি নিশ্চিত করাই এই দীর্ঘমেয়াদী ইন্টারনেট শাটডাউনের প্রধান উদ্দেশ্য।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর প্রেক্ষাপটে তথ্য পাচার ও গুপ্তচরবৃত্তি ঠেকাতে ইরানে টানা ৩২ দিন ধরে সাধারণ নাগরিকদের জন্য ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ব্ল্যাকআউটের ফলে দেশটির সাধারণ মানুষ টানা ৭৪৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে দাবি করেছে ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ গ্রুপ নেটব্লকস। তেহরানের দাবি, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বের অবস্থান সুরক্ষিত রাখতে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পুরো দেশ ইন্টারনেটহীন থাকলেও ইরানের কিছু নির্দিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, সরকারপন্থী ব্যবহারকারী এবং সংবাদকর্মীরা পূর্ণ ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করছেন। সাধারণ মানুষের একটি ক্ষুদ্র অংশ অত্যন্ত ব্যয়বহুল স্টারলিংক-এর মতো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করার চেষ্টা করলেও এটি ইরানি আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই ধরনের স্যাটেলাইট সরঞ্জাম ব্যবহারের দায়ে দেশটিতে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
বর্তমানে ইরানি কর্তৃপক্ষ স্টারলিংক ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করার জন্য ব্যাপক তল্লাশি ও পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে। সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়লেও কর্তৃপক্ষ এটি চালু করার বিষয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি। মূলত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যেন কোনো ধরনের সংবেদনশীল তথ্য শত্রুপক্ষের হাতে না পৌঁছায়, সেটি নিশ্চিত করাই এই দীর্ঘমেয়াদী ইন্টারনেট শাটডাউনের প্রধান উদ্দেশ্য।

আপনার মতামত লিখুন