বিশ্বের বৃহত্তম ও অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ইরানি বাহিনীর হামলার মুখে পড়ে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিও বক্তৃতায় ট্রাম্প জানান, ইরান ১৭টি ভিন্ন দিক থেকে রণতরীটিতে সমন্বিত আক্রমণ চালিয়েছিল। সেনাদের জীবন বাঁচাতে এবং সবকিছু ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করতে জাহাজটি সেই স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী ও নৌবাহিনী অবশ্য ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রণতরীটির লন্ড্রি বিভাগে অগ্নিকাণ্ডের কারণে অভ্যন্তরীণ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের জন্যই গত শুক্রবার জাহাজটিকে ক্রোয়েশিয়ায় নোঙর করা হয়েছে। বর্তমানে ৪ হাজার ৫০০ নাবিকসহ এই বিশাল রণতরীটি সাময়িকভাবে যুদ্ধের বাইরে অবস্থান করছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও নিউজ১৮-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এই ঘটনাকে একটি ভয়াবহ সামরিক বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন কোণ থেকে চালানো এই হামলা তেহরানের সামরিক সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ। যদিও পেন্টাগন বারবার এই হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছে, তবে ট্রাম্পের এই বিস্ফোরক মন্তব্য ওয়াশিংটনের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বর্তমানে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড লোহিত সাগর থেকে ফিরে গ্রিসের বন্দর হয়ে ক্রোয়েশিয়ায় অবস্থান করছে। তের বিলিয়ন ডলার মূল্যের এই ফ্ল্যাগশিপ রণতরীটি অকেজো হয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি সাময়িকভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে তেহরানও তাদের সামরিক অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখার বিষয়ে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বিশ্বের বৃহত্তম ও অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ইরানি বাহিনীর হামলার মুখে পড়ে পালিয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিও বক্তৃতায় ট্রাম্প জানান, ইরান ১৭টি ভিন্ন দিক থেকে রণতরীটিতে সমন্বিত আক্রমণ চালিয়েছিল। সেনাদের জীবন বাঁচাতে এবং সবকিছু ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করতে জাহাজটি সেই স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী ও নৌবাহিনী অবশ্য ট্রাম্পের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রণতরীটির লন্ড্রি বিভাগে অগ্নিকাণ্ডের কারণে অভ্যন্তরীণ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের জন্যই গত শুক্রবার জাহাজটিকে ক্রোয়েশিয়ায় নোঙর করা হয়েছে। বর্তমানে ৪ হাজার ৫০০ নাবিকসহ এই বিশাল রণতরীটি সাময়িকভাবে যুদ্ধের বাইরে অবস্থান করছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও নিউজ১৮-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এই ঘটনাকে একটি ভয়াবহ সামরিক বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন কোণ থেকে চালানো এই হামলা তেহরানের সামরিক সক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ। যদিও পেন্টাগন বারবার এই হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছে, তবে ট্রাম্পের এই বিস্ফোরক মন্তব্য ওয়াশিংটনের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বর্তমানে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড লোহিত সাগর থেকে ফিরে গ্রিসের বন্দর হয়ে ক্রোয়েশিয়ায় অবস্থান করছে। তের বিলিয়ন ডলার মূল্যের এই ফ্ল্যাগশিপ রণতরীটি অকেজো হয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি সাময়িকভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে তেহরানও তাদের সামরিক অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখার বিষয়ে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন