ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর ইস্ফাহানের একটি অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই হামলার ভিডিও শেয়ার করে জানিয়েছেন, যৌথ বাহিনীর এই প্রচণ্ড আক্রমণে পুরো ইস্ফাহান শহর কেঁপে উঠেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় প্রায় ৯০৭ কেজি ওজনের বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা ব্যবহার করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য পরিচিত ইস্ফাহান শহরে প্রায় ২৩ লাখ মানুষের বসবাস। এই শহরেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) গুরুত্বপূর্ণ 'বদর এয়ারবেইস' অবস্থিত। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামলার পর অস্ত্রাগারটিতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয় এবং এর শিখা দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিকট শব্দে পুরো শহর কেঁপে ওঠার কথা নিশ্চিত করেছেন।
হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে এই ধরণের বড় আকারের হামলা তেহরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে এই যৌথ অভিযানকে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের পক্ষ থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর ইস্ফাহানের একটি অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই হামলার ভিডিও শেয়ার করে জানিয়েছেন, যৌথ বাহিনীর এই প্রচণ্ড আক্রমণে পুরো ইস্ফাহান শহর কেঁপে উঠেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় প্রায় ৯০৭ কেজি ওজনের বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা ব্যবহার করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য পরিচিত ইস্ফাহান শহরে প্রায় ২৩ লাখ মানুষের বসবাস। এই শহরেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) গুরুত্বপূর্ণ 'বদর এয়ারবেইস' অবস্থিত। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামলার পর অস্ত্রাগারটিতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয় এবং এর শিখা দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিকট শব্দে পুরো শহর কেঁপে ওঠার কথা নিশ্চিত করেছেন।
হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে এই ধরণের বড় আকারের হামলা তেহরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে এই যৌথ অভিযানকে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের পক্ষ থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন