ইরান ও ভেনিজুয়েলায় সরকার পরিবর্তনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো দেশ দুটির তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ লাভ করা। মঙ্গলবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এই মন্তব্য করেছেন বলে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ল্যাভরভ আমেরিকার এই পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, ইরান এবং তার প্রতিবেশীদের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক হোক তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল চায় না। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ আরও বড় কোনো সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, ইরানে চলমান সরকার পরিবর্তনের প্রচেষ্টার পেছনে মূল উদ্দেশ্য তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করা। তবে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার কথা জানান। ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান থেকে তেল নেওয়াই তার সবচেয়ে পছন্দের কাজ।
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, দ্বীপটি দখল করে সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থান করার মতো অনেক বিকল্প তাদের হাতে আছে। ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি দাবি করেন, খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই এবং তারা খুব সহজেই সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ইরান ও ভেনিজুয়েলায় সরকার পরিবর্তনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো দেশ দুটির তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ লাভ করা। মঙ্গলবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এই মন্তব্য করেছেন বলে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ল্যাভরভ আমেরিকার এই পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, ইরান এবং তার প্রতিবেশীদের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক হোক তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল চায় না। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ আরও বড় কোনো সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, ইরানে চলমান সরকার পরিবর্তনের প্রচেষ্টার পেছনে মূল উদ্দেশ্য তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করা। তবে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার কথা জানান। ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান থেকে তেল নেওয়াই তার সবচেয়ে পছন্দের কাজ।
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, দ্বীপটি দখল করে সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থান করার মতো অনেক বিকল্প তাদের হাতে আছে। ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি দাবি করেন, খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই এবং তারা খুব সহজেই সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন