ঢাকা নিউজ

শত্রুপক্ষকে সহায়তা ও গুপ্তচরবৃত্তিতে ইরানে মৃত্যুদণ্ডসহ সম্পদ বাজেয়াপ্তের কঠোর আইন



শত্রুপক্ষকে সহায়তা ও গুপ্তচরবৃত্তিতে ইরানে মৃত্যুদণ্ডসহ সম্পদ বাজেয়াপ্তের কঠোর আইন
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের বিচার বিভাগীয় মুখপাত্র জানিয়েছেন, গুপ্তচরবৃত্তি বা শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশটির সংশোধিত আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ড এবং সকল সম্পদ বাজেয়াপ্তের শিকার হতে পারেন। এই আইনের আওতায় শত্রুপক্ষের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে এমন কোনো ছবি বা ভিডিও শেয়ার করাকেও সরাসরি গোয়েন্দা সহযোগিতার শামিল বলে গণ্য করা হবে।

ইরানি গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক মাসে অন্তত এক হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংবেদনশীল স্থানের ছবি তোলা, অনলাইনে সরকারবিরোধী কন্টেন্ট শেয়ার করা এবং সরাসরি শত্রুপক্ষকে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছর অনুমোদিত এই আইনটি মূলত গোয়েন্দা ও নির্দিষ্ট কিছু মিডিয়া কার্যক্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা শত্রু সরকারকে সহায়তার নামান্তর। বিচার বিভাগীয় মুখপাত্র সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধকালীন সময়ে যারা আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বা মিথ্যা তথ্য ছড়াবে, তাদের কারাদণ্ডসহ আরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

বর্তমানে এ ধরনের মামলায় প্রায় ২০০টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের সম্পদ শনাক্ত ও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মুখপাত্র স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার সহমর্মিতা প্রদর্শন করা হবে না।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬


শত্রুপক্ষকে সহায়তা ও গুপ্তচরবৃত্তিতে ইরানে মৃত্যুদণ্ডসহ সম্পদ বাজেয়াপ্তের কঠোর আইন

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের বিচার বিভাগীয় মুখপাত্র জানিয়েছেন, গুপ্তচরবৃত্তি বা শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশটির সংশোধিত আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ড এবং সকল সম্পদ বাজেয়াপ্তের শিকার হতে পারেন। এই আইনের আওতায় শত্রুপক্ষের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে এমন কোনো ছবি বা ভিডিও শেয়ার করাকেও সরাসরি গোয়েন্দা সহযোগিতার শামিল বলে গণ্য করা হবে।

ইরানি গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক মাসে অন্তত এক হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংবেদনশীল স্থানের ছবি তোলা, অনলাইনে সরকারবিরোধী কন্টেন্ট শেয়ার করা এবং সরাসরি শত্রুপক্ষকে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছর অনুমোদিত এই আইনটি মূলত গোয়েন্দা ও নির্দিষ্ট কিছু মিডিয়া কার্যক্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা শত্রু সরকারকে সহায়তার নামান্তর। বিচার বিভাগীয় মুখপাত্র সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধকালীন সময়ে যারা আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বা মিথ্যা তথ্য ছড়াবে, তাদের কারাদণ্ডসহ আরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

বর্তমানে এ ধরনের মামলায় প্রায় ২০০টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের সম্পদ শনাক্ত ও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মুখপাত্র স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার সহমর্মিতা প্রদর্শন করা হবে না।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ