ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা) এই ভাষণ প্রচারিত হবে।
ক্যারোলিন লেভেট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানান, ইরান ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ভাষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানে চলমান সামরিক অভিযান আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে এবং তেহরানের সাথে একটি সম্ভাব্য চুক্তিও হতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে সংঘাত শুরু হয়। শুরুতে দ্রুত যুদ্ধ শেষ হওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও এক মাস পার হয়ে যাওয়ার পরও পরিস্থিতির কোনো সমাধান হয়নি, বরং সংঘাত আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
যুদ্ধের শুরুতেই ইরান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় এবং বর্তমানে কেবল তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এই অবস্থায় প্রণালীটি পুনরায় সচল করাকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সামরিক লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা) এই ভাষণ প্রচারিত হবে।
ক্যারোলিন লেভেট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানান, ইরান ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ভাষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানে চলমান সামরিক অভিযান আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে এবং তেহরানের সাথে একটি সম্ভাব্য চুক্তিও হতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে সংঘাত শুরু হয়। শুরুতে দ্রুত যুদ্ধ শেষ হওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও এক মাস পার হয়ে যাওয়ার পরও পরিস্থিতির কোনো সমাধান হয়নি, বরং সংঘাত আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
যুদ্ধের শুরুতেই ইরান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় এবং বর্তমানে কেবল তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এই অবস্থায় প্রণালীটি পুনরায় সচল করাকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সামরিক লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন