মাগুরার শ্রীপুরে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে নিখোঁজ হওয়া এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের বড় উদাস গ্রাম সংলগ্ন একটি মাঠ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের গলায় রশির চিহ্ন থাকায় এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
নিহত গৃহবধূর নাম লিমা খাতুন (২৩)। তিনি বড় উদাস গ্রামের আব্দুল হাইয়ের মেয়ে এবং ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার হাটগোপালপুর এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লিমা তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
পরদিন বুধবার সকালে এলাকাবাসী লিমার বাবার বাড়ির পাশের একটি মাঠে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আতাউর রহমান জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনের সময় নিহতের গলায় রশির স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, তাকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
পুলিশ লিমার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এই রহস্যজনক মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে এবং এর সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
মাগুরার শ্রীপুরে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে নিখোঁজ হওয়া এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের বড় উদাস গ্রাম সংলগ্ন একটি মাঠ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের গলায় রশির চিহ্ন থাকায় এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
নিহত গৃহবধূর নাম লিমা খাতুন (২৩)। তিনি বড় উদাস গ্রামের আব্দুল হাইয়ের মেয়ে এবং ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার হাটগোপালপুর এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লিমা তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
পরদিন বুধবার সকালে এলাকাবাসী লিমার বাবার বাড়ির পাশের একটি মাঠে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আতাউর রহমান জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনের সময় নিহতের গলায় রশির স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, তাকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
পুলিশ লিমার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এই রহস্যজনক মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে এবং এর সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন