ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির ইস্যু নিয়ে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার অনুষ্ঠিত এই ফোনালাপে ট্রাম্প সৌদি যুবরাজকে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে কিছু প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে তেহরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কেবল সামান্য কিছু বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলোকে ‘বাড়াবাড়ি ও অবাস্তবসম্মত’ বলে অভিহিত করেছে তেহরান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে এই সংঘাত তীব্র রূপ নেয়। ইরানের দেওয়া তথ্যমতে, ওই হামলায় তাদের ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ড্রোন ও মিসাইল দিয়ে পাল্টা হামলা শুরু করে, যার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা সামরিক অবকাঠামো।
ইরানের পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির ইস্যু নিয়ে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার অনুষ্ঠিত এই ফোনালাপে ট্রাম্প সৌদি যুবরাজকে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে কিছু প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে তেহরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কেবল সামান্য কিছু বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলোকে ‘বাড়াবাড়ি ও অবাস্তবসম্মত’ বলে অভিহিত করেছে তেহরান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে এই সংঘাত তীব্র রূপ নেয়। ইরানের দেওয়া তথ্যমতে, ওই হামলায় তাদের ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরান ড্রোন ও মিসাইল দিয়ে পাল্টা হামলা শুরু করে, যার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা সামরিক অবকাঠামো।
ইরানের পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন