ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ৪ বছরের শিশুপুত্র লাবিবকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা সোহাগের বিরুদ্ধে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রায়েরগ্রাম এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি তার মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে বসবাস করত।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির বাবা সোহাগ চুরি, ছিনতাই ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন। পারিবারিক কলহের জেরে লাবিবের মা তাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। বুধবার বিকেলে সোহাগ শ্বশুরবাড়িতে এসে ছেলে লাবিবকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যান।
এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে শ্বশুরবাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি স্থান থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ত্রিশাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বাবা সোহাগই তার সন্তানকে হত্যা করেছেন।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এটি বাবার হাতে হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। অভিযুক্ত সোহাগ বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় ৪ বছরের শিশুপুত্র লাবিবকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা সোহাগের বিরুদ্ধে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রায়েরগ্রাম এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি তার মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে বসবাস করত।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির বাবা সোহাগ চুরি, ছিনতাই ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন। পারিবারিক কলহের জেরে লাবিবের মা তাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। বুধবার বিকেলে সোহাগ শ্বশুরবাড়িতে এসে ছেলে লাবিবকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যান।
এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে শ্বশুরবাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি স্থান থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে ত্রিশাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বাবা সোহাগই তার সন্তানকে হত্যা করেছেন।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এটি বাবার হাতে হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। অভিযুক্ত সোহাগ বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন