ইরান তাদের সামরিক হামলা আরও জোরদার করার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যতক্ষণ পর্যন্ত 'স্থায়ী অনুশোচনা ও আত্মসমর্পণে' বাধ্য না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তেহরান তাদের আঞ্চলিক হামলা অব্যাহত রাখবে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সামরিক মুখপাত্র জানান, ভবিষ্যতে আরও বিধ্বংসী, ব্যাপক এবং শক্তিশালী হামলার জন্য ইরান পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, চলমান সংঘাতের ফলে ইরান সামরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। ট্রাম্পের এই দাবির জবাবে ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ইরানের প্রকৃত সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভুল এবং অসম্পূর্ণ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইরান তাদের সামরিক অভিযানের মাত্রা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও হামলার ঘটনায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বহু মানুষ নিহত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের নতুন এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
ইরান তাদের সামরিক হামলা আরও জোরদার করার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যতক্ষণ পর্যন্ত 'স্থায়ী অনুশোচনা ও আত্মসমর্পণে' বাধ্য না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তেহরান তাদের আঞ্চলিক হামলা অব্যাহত রাখবে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সামরিক মুখপাত্র জানান, ভবিষ্যতে আরও বিধ্বংসী, ব্যাপক এবং শক্তিশালী হামলার জন্য ইরান পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, চলমান সংঘাতের ফলে ইরান সামরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। ট্রাম্পের এই দাবির জবাবে ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ইরানের প্রকৃত সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভুল এবং অসম্পূর্ণ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইরান তাদের সামরিক অভিযানের মাত্রা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও হামলার ঘটনায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বহু মানুষ নিহত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের নতুন এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন