ইরানের রাজধানী তেহরানে চলমান মার্কিন-ইসরাইলি সামরিক হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৩ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরান সিটি করপোরেশনের মুখপাত্র আব্দুলমোহর মোহাম্মদখানি এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোর অবস্থা ভিন্ন ভিন্ন—কোথাও জানালার কাঁচ ও দরজা ভেঙেছে, আবার কোনো কোনো স্থাপনা সম্পূর্ণ পুনর্নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ফলে বর্তমানে অন্তত ১ হাজার ৮৬৯টি পরিবার তীব্র বাসস্থান সংকটে পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২৪৫টি পরিবারকে জরুরি ভিত্তিতে ২৩টি আবাসিক কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হয়েছে। গৃহহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আবাসন নিশ্চিত করা এখন শহর কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তেহরান সিটি কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই চার হাজারের বেশি বাড়িঘর মেরামতের কাজ শুরু করেছে। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি সংস্কার কাজ চালানো হচ্ছে, আবার কোথাও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে সিটি কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক হামলায় তেহরানের সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একদিকে ঘরবাড়ি হারানো মানুষের হাহাকার, অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইরানে আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি পুরো অঞ্চলকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানে চলমান মার্কিন-ইসরাইলি সামরিক হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৩ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরান সিটি করপোরেশনের মুখপাত্র আব্দুলমোহর মোহাম্মদখানি এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোর অবস্থা ভিন্ন ভিন্ন—কোথাও জানালার কাঁচ ও দরজা ভেঙেছে, আবার কোনো কোনো স্থাপনা সম্পূর্ণ পুনর্নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ফলে বর্তমানে অন্তত ১ হাজার ৮৬৯টি পরিবার তীব্র বাসস্থান সংকটে পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২৪৫টি পরিবারকে জরুরি ভিত্তিতে ২৩টি আবাসিক কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হয়েছে। গৃহহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আবাসন নিশ্চিত করা এখন শহর কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তেহরান সিটি কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই চার হাজারের বেশি বাড়িঘর মেরামতের কাজ শুরু করেছে। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি সংস্কার কাজ চালানো হচ্ছে, আবার কোথাও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে সিটি কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক হামলায় তেহরানের সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একদিকে ঘরবাড়ি হারানো মানুষের হাহাকার, অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইরানে আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি পুরো অঞ্চলকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন