বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি দপ্তরগুলোতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং জ্বালানি ও পানি রূপান্তর মন্ত্রী দাতুক সেরি ফাদিল্লাহ ইউসুফ জানিয়েছেন, এখন থেকে সরকারি অফিসগুলোতে এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামানো যাবে না।
জ্বালানি সাশ্রয়ের এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি কর্মচারীদের পোশাকের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরতা কমাতে কর্মীদের স্থানীয় আবহাওয়ার উপযোগী পোশাক যেমন বাটিক, করপোরেট শার্ট বা বাজু মেলায়ু পরিধানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগগুলোকে সরকারের দায়িত্বশীল জ্বালানি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন উপ-প্রধানমন্ত্রী।
এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সরকারি খাত ও সরকার-সংযুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজ করার নীতি চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। মূলত যাতায়াত কমিয়ে যানবাহনের জ্বালানি তেলের খরচ হ্রাস করা এবং অফিস ভবনগুলোর বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।
উপ-প্রধানমন্ত্রী ফাদিল্লাহ ইউসুফ বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলা করতেই মালয়েশিয়া এই আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সংকট মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো হবে সুসমন্বিত এবং বাস্তবমুখী। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারি দপ্তরগুলোর এই সাশ্রয়ী নীতিমালা দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বেসরকারি খাতকে অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি দপ্তরগুলোতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং জ্বালানি ও পানি রূপান্তর মন্ত্রী দাতুক সেরি ফাদিল্লাহ ইউসুফ জানিয়েছেন, এখন থেকে সরকারি অফিসগুলোতে এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামানো যাবে না।
জ্বালানি সাশ্রয়ের এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি কর্মচারীদের পোশাকের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরতা কমাতে কর্মীদের স্থানীয় আবহাওয়ার উপযোগী পোশাক যেমন বাটিক, করপোরেট শার্ট বা বাজু মেলায়ু পরিধানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগগুলোকে সরকারের দায়িত্বশীল জ্বালানি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন উপ-প্রধানমন্ত্রী।
এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সরকারি খাত ও সরকার-সংযুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজ করার নীতি চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। মূলত যাতায়াত কমিয়ে যানবাহনের জ্বালানি তেলের খরচ হ্রাস করা এবং অফিস ভবনগুলোর বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।
উপ-প্রধানমন্ত্রী ফাদিল্লাহ ইউসুফ বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলা করতেই মালয়েশিয়া এই আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সংকট মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো হবে সুসমন্বিত এবং বাস্তবমুখী। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারি দপ্তরগুলোর এই সাশ্রয়ী নীতিমালা দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বেসরকারি খাতকে অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন