ফরিদপুরে স্ট্রোকে আক্রান্ত ফাতেমা বেগম (৬০) নামে এক গৃহবধূ ওষুধ মনে করে ভুলবশত ঘাস মারার বিষপান করায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত ফাতেমা বেগম ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশানগোপালপুর ইউনিয়নের হাজীডাঙ্গী এলাকার চরদুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. আলেফ শেখের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন স্ট্রোকজনিত শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে নিজ বসতঘরে থাকা একটি বোতলকে ওষুধের বোতল ভেবে ভুলবশত ঘাস মারার বিষপান করেন তিনি। অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং সেখানকার মেডিসিন ওয়ার্ডে তাকে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ হাসপাতালে এসে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় কোতোয়ালি থানা কর্তৃপক্ষ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরে স্ট্রোকে আক্রান্ত ফাতেমা বেগম (৬০) নামে এক গৃহবধূ ওষুধ মনে করে ভুলবশত ঘাস মারার বিষপান করায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত ফাতেমা বেগম ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশানগোপালপুর ইউনিয়নের হাজীডাঙ্গী এলাকার চরদুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. আলেফ শেখের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন স্ট্রোকজনিত শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে নিজ বসতঘরে থাকা একটি বোতলকে ওষুধের বোতল ভেবে ভুলবশত ঘাস মারার বিষপান করেন তিনি। অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং সেখানকার মেডিসিন ওয়ার্ডে তাকে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ হাসপাতালে এসে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করেছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় কোতোয়ালি থানা কর্তৃপক্ষ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন