দীর্ঘদিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপার দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। মূলত ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্য এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্পট গোল্ড বা প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২.৮ শতাংশ কমে ৪,৬২২.৫৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে টানা চার দিনের দরবৃদ্ধির প্রবণতা থমকে গেল। অন্যদিকে মার্কিন গোল্ড ফিউচার ৩.৪ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪,৬৪৯ ডলারে নেমেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিশেষ ভাষণে ইরানে আগ্রাসী হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই বক্তব্যে যুদ্ধ থামার আশা করা বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়েছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্বর্ণের বাজারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। রুপার দাম ৫.৪ শতাংশ কমে ৭১.০৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ৩.১ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৮ শতাংশ কমেছে।
বিশ্ববাজারে দাম কমায় ভারতের বাজারে স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা বাড়লেও ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে চীনে। দেশটির ক্রেতারা দাম আরও কমার অপেক্ষায় থাকায় সেখানে কেনাবেচায় কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘদিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপার দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। মূলত ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্য এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্পট গোল্ড বা প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২.৮ শতাংশ কমে ৪,৬২২.৫৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে টানা চার দিনের দরবৃদ্ধির প্রবণতা থমকে গেল। অন্যদিকে মার্কিন গোল্ড ফিউচার ৩.৪ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪,৬৪৯ ডলারে নেমেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিশেষ ভাষণে ইরানে আগ্রাসী হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই বক্তব্যে যুদ্ধ থামার আশা করা বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়েছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্বর্ণের বাজারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। রুপার দাম ৫.৪ শতাংশ কমে ৭১.০৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ৩.১ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৮ শতাংশ কমেছে।
বিশ্ববাজারে দাম কমায় ভারতের বাজারে স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা বাড়লেও ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে চীনে। দেশটির ক্রেতারা দাম আরও কমার অপেক্ষায় থাকায় সেখানে কেনাবেচায় কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন