ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি যুক্তরাষ্ট্রকে চরম সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা যদি ইরানে কোনো ধরনের স্থল অভিযান চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের একজন সেনাও জীবিত ফিরতে পারবে না। সেনাবাহিনীর কমান্ডার ও সদর দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। একই সঙ্গে তিনি শত্রুদেশের প্রতিটি গতিবিধি অত্যন্ত নির্ভুলতা ও সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করার জন্য সামরিক বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।
জেনারেল হাতামি তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপ মুহূর্তের মধ্যে গভীর সন্দেহ ও সতর্কতার সাথে নজরদারিতে রাখতে হবে। তাদের সম্ভাব্য হামলার কৌশল মোকাবিলায় আগেভাগেই কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের ওপর থেকে যুদ্ধের কালো ছায়া সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলতে হবে এবং দেশের প্রতিটি প্রান্তে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কোনো নির্দিষ্ট এলাকা নিরাপদ রেখে অন্য এলাকাকে নিরাপত্তাহীনতায় ফেলে রাখার সুযোগ দেওয়া হবে না।
ইরানি সেনাপ্রধানের এই কড়া মন্তব্যটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধংদেহী বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসেছে। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরান বিরোধী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিজয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প তার পরিকল্পনায় জানিয়েছিলেন যে, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ ইরানের ওপর আরও ভয়াবহ হামলা চালানো হবে, যার লক্ষ্যবস্তু হবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও।
এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তজনার মাঝে আমির হাতামি তার বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্পের ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নেওয়া’র হুমকির বিপরীতে ইরানের এই অবস্থান অঞ্চলটিতে একটি রক্তক্ষয়ী স্থল যুদ্ধের আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে ইরানি সামরিক কমান্ড শত্রুর প্রতিটি কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু নজরে রাখছে বলে সেনাপ্রধান নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি যুক্তরাষ্ট্রকে চরম সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা যদি ইরানে কোনো ধরনের স্থল অভিযান চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের একজন সেনাও জীবিত ফিরতে পারবে না। সেনাবাহিনীর কমান্ডার ও সদর দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। একই সঙ্গে তিনি শত্রুদেশের প্রতিটি গতিবিধি অত্যন্ত নির্ভুলতা ও সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করার জন্য সামরিক বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।
জেনারেল হাতামি তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপ মুহূর্তের মধ্যে গভীর সন্দেহ ও সতর্কতার সাথে নজরদারিতে রাখতে হবে। তাদের সম্ভাব্য হামলার কৌশল মোকাবিলায় আগেভাগেই কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের ওপর থেকে যুদ্ধের কালো ছায়া সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলতে হবে এবং দেশের প্রতিটি প্রান্তে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কোনো নির্দিষ্ট এলাকা নিরাপদ রেখে অন্য এলাকাকে নিরাপত্তাহীনতায় ফেলে রাখার সুযোগ দেওয়া হবে না।
ইরানি সেনাপ্রধানের এই কড়া মন্তব্যটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধংদেহী বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসেছে। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরান বিরোধী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিজয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প তার পরিকল্পনায় জানিয়েছিলেন যে, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ ইরানের ওপর আরও ভয়াবহ হামলা চালানো হবে, যার লক্ষ্যবস্তু হবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও।
এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তজনার মাঝে আমির হাতামি তার বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্পের ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নেওয়া’র হুমকির বিপরীতে ইরানের এই অবস্থান অঞ্চলটিতে একটি রক্তক্ষয়ী স্থল যুদ্ধের আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে ইরানি সামরিক কমান্ড শত্রুর প্রতিটি কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু নজরে রাখছে বলে সেনাপ্রধান নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন