ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু ‘বি-১’ সেতুটি ধ্বংস করার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় কারাজের কাছে অবস্থিত এই নির্মাণাধীন সেতুটিতে সরাসরি আঘাত হানা হয়। এই ভয়াবহ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৯৫ জন। আলব্রোজ প্রদেশের কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বি-১ সেতুর মধ্যবর্তী অংশটি হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পুরোপুরি ধসে পড়েছে। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, তেহরান ও কারাজের মধ্যকার যানজট নিরসন এবং দেশের উত্তরাঞ্চলে যাতায়াত সহজ করতে নির্মিত এই স্থাপনাটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু সেতু। হামলার সময় সেতুটির বড় একটি অংশ ভেঙে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘অগোছালো শত্রুর পরাজয় ও নৈতিক অবক্ষয়ের প্রতিফলন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, অসমাপ্ত সেতু কিংবা সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে ইরানি জনগণকে কখনো আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে না। প্রতিবেদন অনুসারে, বৃহস্পতিবার দুই দফায় এই কৌশলগত স্থাপনাটিতে হামলা চালানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশাল সেতুর মাঝামাঝি অংশটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। বেসামরিক স্থাপনায় এমন সরাসরি আঘাতের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও চরম পর্যায়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে।ইরানের বৃহত্তম বি-১ সেতু গুঁড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল: নিহত ৮, আহত অন্তত ৯৫

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু ‘বি-১’ সেতুটি ধ্বংস করার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় কারাজের কাছে অবস্থিত এই নির্মাণাধীন সেতুটিতে সরাসরি আঘাত হানা হয়। এই ভয়াবহ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৯৫ জন। আলব্রোজ প্রদেশের কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বি-১ সেতুর মধ্যবর্তী অংশটি হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পুরোপুরি ধসে পড়েছে। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, তেহরান ও কারাজের মধ্যকার যানজট নিরসন এবং দেশের উত্তরাঞ্চলে যাতায়াত সহজ করতে নির্মিত এই স্থাপনাটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু সেতু। হামলার সময় সেতুটির বড় একটি অংশ ভেঙে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘অগোছালো শত্রুর পরাজয় ও নৈতিক অবক্ষয়ের প্রতিফলন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, অসমাপ্ত সেতু কিংবা সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে ইরানি জনগণকে কখনো আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে না। প্রতিবেদন অনুসারে, বৃহস্পতিবার দুই দফায় এই কৌশলগত স্থাপনাটিতে হামলা চালানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশাল সেতুর মাঝামাঝি অংশটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। বেসামরিক স্থাপনায় এমন সরাসরি আঘাতের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও চরম পর্যায়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে।ইরানের বৃহত্তম বি-১ সেতু গুঁড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল: নিহত ৮, আহত অন্তত ৯৫

আপনার মতামত লিখুন