ভারতের পাঞ্জাব বিজেপির চণ্ডীগড় কার্যালয়ের বাইরে গত বুধবার বিকেলে এক ভয়াবহ গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৭ এলাকায় বিকেল পাঁচটার দিকে ঘটা এই হামলার কিছুক্ষণ পরই খালিস্তানি নেতা সুখজিন্দর সিং বাব্বর সামাজিক মাধ্যমে এক বিবৃতির মাধ্যমে এর দায় স্বীকার করে নিয়েছেন। এই বিস্ফোরণে কার্যালয়ের সামনে থাকা একটি গাড়ির জানালার কাচ ও দুটি স্কুটার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সৌভাগ্যবশত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুজন ব্যক্তি একটি মোটরসাইকেলে করে এসে একটি ক্রুড বোমা বা আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। দায় স্বীকার করে দেওয়া বিবৃতিতে বাব্বর জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে গুরদাসপুরে রঞ্জিত সিং নামক এক ব্যক্তিকে পুলিশি এনকাউন্টারে হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি পাঞ্জাবে খালিস্তান প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে ভারতীয় প্রশাসনকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
বিজেপির রাজ্য নেতা বিনিত জোশি জানান, বিস্ফোরণের পর এলাকায় প্রচণ্ড ধোঁয়া দেখা যায় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গত চার দিন ধরে বিজেপির রাজ্য ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট ওই কার্যালয়ে অবস্থান করার সময়েই এই বিস্ফোরণ ঘটায় একে অত্যন্ত গুরুতর উদ্বেগের বিষয় বলে অভিহিত করেছেন তিনি। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলের বিপরীত দিকে থাকা একটি পেট্রোল পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন, যেখানে একজন ব্যক্তিকে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির (সিএফএসএল) একটি দল ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত শ্র্যাপনেলের টুকরোসহ বিভিন্ন আলামত পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে এলাকায় সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা পুরো তদন্ত প্রক্রিয়া তদারকি করছেন।

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ভারতের পাঞ্জাব বিজেপির চণ্ডীগড় কার্যালয়ের বাইরে গত বুধবার বিকেলে এক ভয়াবহ গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৭ এলাকায় বিকেল পাঁচটার দিকে ঘটা এই হামলার কিছুক্ষণ পরই খালিস্তানি নেতা সুখজিন্দর সিং বাব্বর সামাজিক মাধ্যমে এক বিবৃতির মাধ্যমে এর দায় স্বীকার করে নিয়েছেন। এই বিস্ফোরণে কার্যালয়ের সামনে থাকা একটি গাড়ির জানালার কাচ ও দুটি স্কুটার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সৌভাগ্যবশত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুজন ব্যক্তি একটি মোটরসাইকেলে করে এসে একটি ক্রুড বোমা বা আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। দায় স্বীকার করে দেওয়া বিবৃতিতে বাব্বর জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে গুরদাসপুরে রঞ্জিত সিং নামক এক ব্যক্তিকে পুলিশি এনকাউন্টারে হত্যার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি পাঞ্জাবে খালিস্তান প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে ভারতীয় প্রশাসনকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
বিজেপির রাজ্য নেতা বিনিত জোশি জানান, বিস্ফোরণের পর এলাকায় প্রচণ্ড ধোঁয়া দেখা যায় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গত চার দিন ধরে বিজেপির রাজ্য ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট ওই কার্যালয়ে অবস্থান করার সময়েই এই বিস্ফোরণ ঘটায় একে অত্যন্ত গুরুতর উদ্বেগের বিষয় বলে অভিহিত করেছেন তিনি। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলের বিপরীত দিকে থাকা একটি পেট্রোল পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন, যেখানে একজন ব্যক্তিকে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির (সিএফএসএল) একটি দল ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত শ্র্যাপনেলের টুকরোসহ বিভিন্ন আলামত পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে এলাকায় সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা পুরো তদন্ত প্রক্রিয়া তদারকি করছেন।

আপনার মতামত লিখুন