কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রে সংঘটিত হামলার জন্য সরাসরি ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বেসামরিক অবকাঠামোতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
আইআরজিসি-র বিবৃতিতে কুয়েতের পানি শোধনাগারে এই হামলাকে জায়োনিস্ট শাসনের 'অপ্রথাগত ও অবৈধ' পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তারা এই ঘটনাকে দখলদারদের জঘন্য মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে।
একই বিবৃতিতে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সেনাসদস্য এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি সামরিক ও নিরাপত্তা কেন্দ্রগুলো এখন তাদের শক্তিশালী লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে।
কুয়েতি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, স্থানীয় সময় শুক্রবার দ্বিপ্রহরের ঠিক আগে একটি বিদ্যুৎ ও লোনা পানি শোধনাগার হামলার শিকার হয়। তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
এর আগে শুক্রবার ভোরে কুয়েতের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার 'মিনা আল-আহমাদি'-তেও ড্রোন হামলা চালানো হয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা জানিয়েছে, ওই হামলার ফলে শোধনাগারের বেশ কয়েকটি অপারেশনাল ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছিল।
ইরান এই সকল হামলার পেছনে ইসরাইলের হাত রয়েছে বলে দাবি করলেও, সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রেক্ষিতে এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রে সংঘটিত হামলার জন্য সরাসরি ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বেসামরিক অবকাঠামোতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
আইআরজিসি-র বিবৃতিতে কুয়েতের পানি শোধনাগারে এই হামলাকে জায়োনিস্ট শাসনের 'অপ্রথাগত ও অবৈধ' পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তারা এই ঘটনাকে দখলদারদের জঘন্য মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে।
একই বিবৃতিতে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সেনাসদস্য এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি সামরিক ও নিরাপত্তা কেন্দ্রগুলো এখন তাদের শক্তিশালী লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে।
কুয়েতি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, স্থানীয় সময় শুক্রবার দ্বিপ্রহরের ঠিক আগে একটি বিদ্যুৎ ও লোনা পানি শোধনাগার হামলার শিকার হয়। তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
এর আগে শুক্রবার ভোরে কুয়েতের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার 'মিনা আল-আহমাদি'-তেও ড্রোন হামলা চালানো হয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা জানিয়েছে, ওই হামলার ফলে শোধনাগারের বেশ কয়েকটি অপারেশনাল ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছিল।
ইরান এই সকল হামলার পেছনে ইসরাইলের হাত রয়েছে বলে দাবি করলেও, সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রেক্ষিতে এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন