যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা কোনো ফল ছাড়াই থমকে গেছে। শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইরান।
পাক কর্মকর্তাদের তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, আলোচনার জন্য তারা কোনো প্রতিনিধিকে ইসলামাবাদে পাঠাবে না। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া আলোচনার শর্তগুলোকে 'অগ্রহণযোগ্য' বলে অভিহিত করেছে ইরান। পাকিস্তানের এই উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর এখন কাতার ও তুরস্ক মধ্যস্থতার নতুন ভূমিকা নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। এই বিষয়ে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপ হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন যে, ইরানের প্রেসিডেন্ট নিজেই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে না যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ট্রাম্পের এই দাবিকে সম্পূর্ণ 'মিথ্যা ও ভিত্তিহীন' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র তাদের ৪৮ ঘণ্টার একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সেই প্রস্তাবে এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা কোনো ফল ছাড়াই থমকে গেছে। শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইরান।
পাক কর্মকর্তাদের তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, আলোচনার জন্য তারা কোনো প্রতিনিধিকে ইসলামাবাদে পাঠাবে না। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া আলোচনার শর্তগুলোকে 'অগ্রহণযোগ্য' বলে অভিহিত করেছে ইরান। পাকিস্তানের এই উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর এখন কাতার ও তুরস্ক মধ্যস্থতার নতুন ভূমিকা নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতি এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। এই বিষয়ে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপ হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন যে, ইরানের প্রেসিডেন্ট নিজেই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে না যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ট্রাম্পের এই দাবিকে সম্পূর্ণ 'মিথ্যা ও ভিত্তিহীন' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র তাদের ৪৮ ঘণ্টার একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সেই প্রস্তাবে এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন