শত্রুপক্ষকে ফাঁকি দিতে যুদ্ধের পুরোনো কৌশল ‘ডামি’ বা নকল মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বিভ্রান্ত করছে ইরান। এর ফলে দেশ দুটির হামলায় ইরানের ঠিক কতগুলো আসল লঞ্চার ধ্বংস হয়েছে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো অন্ধকারে রয়েছে।
শনিবার নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ইরানের কাছে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও মোবাইল লঞ্চার অক্ষত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, তা আদৌ অর্জিত হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রবল সংশয় দেখা দিয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় যখন ইরানের কোনো মিসাইল বাঙ্কার বা ভাণ্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সেখানে আটকা পড়ে। তবে ইরানি বাহিনী অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেগুলো উদ্ধার করে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তুলছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে বড় ধরনের যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া যাতে তারা ভবিষ্যতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কথা চিন্তা করতে না পারে।
তবে যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের এই কৌশলী অবস্থান এবং দ্রুত পুনরুদ্ধারের সক্ষমতা মার্কিন রণকৌশলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ফলে ইরানের প্রকৃত সামরিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা এখন পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য একটি বড় জটিলতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
শত্রুপক্ষকে ফাঁকি দিতে যুদ্ধের পুরোনো কৌশল ‘ডামি’ বা নকল মিসাইল লঞ্চার মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বিভ্রান্ত করছে ইরান। এর ফলে দেশ দুটির হামলায় ইরানের ঠিক কতগুলো আসল লঞ্চার ধ্বংস হয়েছে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো অন্ধকারে রয়েছে।
শনিবার নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ইরানের কাছে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও মোবাইল লঞ্চার অক্ষত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, তা আদৌ অর্জিত হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রবল সংশয় দেখা দিয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় যখন ইরানের কোনো মিসাইল বাঙ্কার বা ভাণ্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সেখানে আটকা পড়ে। তবে ইরানি বাহিনী অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেগুলো উদ্ধার করে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তুলছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে বড় ধরনের যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া যাতে তারা ভবিষ্যতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কথা চিন্তা করতে না পারে।
তবে যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের এই কৌশলী অবস্থান এবং দ্রুত পুনরুদ্ধারের সক্ষমতা মার্কিন রণকৌশলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ফলে ইরানের প্রকৃত সামরিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা এখন পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য একটি বড় জটিলতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন