প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এক্স পোস্টে রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, ভারতীয় সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে এটিই প্রথম উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা বিষয়ক বৈঠক। গত ১৮ মাস ধরে দুই দেশের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছিল, যা এই বৈঠকের মাধ্যমে কাটতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিষয়ে কোনো বৈঠক না হলেও এই সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সামরিক পর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি আঞ্চলিক রাজনীতি ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানকে নিয়ে গঠিত 'বিবিআইএন' জোটের অন্যতম লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই জোটের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি বর্তমান সময়ের একটি বড় দাবি। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে সেই লক্ষ্য অর্জনে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এক্স পোস্টে রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, ভারতীয় সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে এটিই প্রথম উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা বিষয়ক বৈঠক। গত ১৮ মাস ধরে দুই দেশের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছিল, যা এই বৈঠকের মাধ্যমে কাটতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিষয়ে কোনো বৈঠক না হলেও এই সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সামরিক পর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি আঞ্চলিক রাজনীতি ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানকে নিয়ে গঠিত 'বিবিআইএন' জোটের অন্যতম লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই জোটের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি বর্তমান সময়ের একটি বড় দাবি। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে সেই লক্ষ্য অর্জনে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন