ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী যুক্তরাষ্ট্রের দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। দেশটির সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, তাদের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে একটি এফ-১৫ এবং অন্যটি এ-১০ মডেলের মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে, যার একটি ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এবং অন্যটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত হয়।
খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে শুক্রবার জানানো হয়, প্রথমে একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে পারস্য উপসাগরে একটি এ-১০ যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তু করে ভূপাতিত করা হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বিধ্বস্ত এফ-১৫ জেটের ধ্বংসাবশেষ এবং পাইলটের ব্যবহৃত ইজেকশন সিটের ছবি প্রকাশ করে এই সাফল্যের প্রমাণ তুলে ধরেছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, বিধ্বস্ত এ-১০ বিমানের পাইলট নিরাপদে থাকলেও এফ-১৫ বিমানের একজন ক্রু সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে একজনকে উদ্ধারের খবর পাওয়া গেলেও অন্যজনের পরিণতি সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই ঘটনা নিয়ে ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের ঘালিবাফ মার্কিন প্রশাসনকে উপহাস করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে চলমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্বীকার করে বলেছেন, বর্তমানে দুই দেশ যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে এবং এই ঘটনা তেহরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে পেন্টাগন ও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) থেকে এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী যুক্তরাষ্ট্রের দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। দেশটির সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, তাদের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে একটি এফ-১৫ এবং অন্যটি এ-১০ মডেলের মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে, যার একটি ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এবং অন্যটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত হয়।
খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে শুক্রবার জানানো হয়, প্রথমে একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে পারস্য উপসাগরে একটি এ-১০ যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তু করে ভূপাতিত করা হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বিধ্বস্ত এফ-১৫ জেটের ধ্বংসাবশেষ এবং পাইলটের ব্যবহৃত ইজেকশন সিটের ছবি প্রকাশ করে এই সাফল্যের প্রমাণ তুলে ধরেছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, বিধ্বস্ত এ-১০ বিমানের পাইলট নিরাপদে থাকলেও এফ-১৫ বিমানের একজন ক্রু সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে একজনকে উদ্ধারের খবর পাওয়া গেলেও অন্যজনের পরিণতি সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই ঘটনা নিয়ে ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের ঘালিবাফ মার্কিন প্রশাসনকে উপহাস করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে চলমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্বীকার করে বলেছেন, বর্তমানে দুই দেশ যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে এবং এই ঘটনা তেহরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে পেন্টাগন ও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) থেকে এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন