দেশজুড়ে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় এবং নতুন করে আরও চার শিশুর মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে কাল রবিবার থেকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কেবল চাঁপাইনবাবগঞ্জেই ১২ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হাম মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের সব উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলে টিকা এবং সিরিঞ্জ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এই কর্মসূচি সফল করতে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি গত বৃহস্পতিবার থেকে বাতিল করা হয়েছে এবং তারা স্থানীয় কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইউনিসেফের সহায়তায় সংগৃহীত টিকা দিয়ে এই জরুরি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি ৬০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন টিকা কেনার প্রক্রিয়া চলছে, যা হাতে এলে জুন-জুলাই মাসে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য পুনরায় বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে। আগে টিকা নেওয়া শিশুরাও এই কর্মসূচির আওভুক্ত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের সঙ্গে নিউমোনিয়া যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে শিশুদের মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেড়ে গেছে। হাসপাতালে ভর্তি হাম আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৩০ শতাংশই নিউমোনিয়ায় ভুগছে, যা তাদের শ্বাসতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইসিডিডিআর,বি-র সহযোগিতায় বিশেষ চিকিৎসা প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দ্রুত টিকাদানের মাধ্যমে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আশা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশজুড়ে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় এবং নতুন করে আরও চার শিশুর মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে কাল রবিবার থেকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কেবল চাঁপাইনবাবগঞ্জেই ১২ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হাম মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের সব উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলে টিকা এবং সিরিঞ্জ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এই কর্মসূচি সফল করতে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি গত বৃহস্পতিবার থেকে বাতিল করা হয়েছে এবং তারা স্থানীয় কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ইউনিসেফের সহায়তায় সংগৃহীত টিকা দিয়ে এই জরুরি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি ৬০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন টিকা কেনার প্রক্রিয়া চলছে, যা হাতে এলে জুন-জুলাই মাসে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য পুনরায় বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে। আগে টিকা নেওয়া শিশুরাও এই কর্মসূচির আওভুক্ত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের সঙ্গে নিউমোনিয়া যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে শিশুদের মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেড়ে গেছে। হাসপাতালে ভর্তি হাম আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৩০ শতাংশই নিউমোনিয়ায় ভুগছে, যা তাদের শ্বাসতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইসিডিডিআর,বি-র সহযোগিতায় বিশেষ চিকিৎসা প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দ্রুত টিকাদানের মাধ্যমে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আশা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন