গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসনের জবাবে পাল্টা আঘাত হেনেছে তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং অত্যাধুনিক আকাশযানে ইরান স্মরণীয় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির বাহিনী মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত দুই ডজন যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব বর্তমানে বেশ বিপাকে পড়েছে।
ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া যানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অত্যাধুনিক এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান এবং স্থল সেনাদের সহায়তায় ব্যবহৃত এ-১০ ওয়ার্টহগ। এছাড়া তেহরান তিনটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, একটি উইং লুং-২ এবং একটি হার্মিস ড্রোন ভূপাতিত করার তথ্য দিয়েছে। মধ্য ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া এফ-১৫ বিমানের পাইলটদের উদ্ধারে যাওয়া দুটি মার্কিন হেলিকপ্টারও ইরানি বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই ক্ষয়ক্ষতির অধিকাংশ তথ্যই স্বীকার করে নিয়েছে, যা গত কয়েক দশকের মধ্যে তাদের জন্য অন্যতম একটি ধ্বংসাত্মক দিন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংঘাতের এই পর্যায়ে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের কথিত ‘ডুমসডে’ বা ধ্বংসের দিনের নমুনা দেখিয়ে দিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এর আগে গত ৫ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘মিনিটম্যান-৩’ এর পরীক্ষা চালিয়েছিল এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে তাদের রহস্যময় ‘ডুমসডে প্লেন’ উড়িয়ে শক্তির জানান দিয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধের ময়দানে একদিনে এত বিপুল পরিমাণ আকাশযান হারিয়ে বিশ্বজুড়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি একটি বিরল বিপর্যয়। এর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নরম্যান্ডি আক্রমণ কিংবা ইরাক ও আফগান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী প্রাণহানির শিকার হলেও, আধুনিক যুগে একদিনে এত বেশি সংখ্যক উচ্চপ্রযুক্তির যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস হওয়ার নজির নেই। গত ২ মার্চও ইরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের আকাশে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিকে মার্কিন আধিপত্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসনের জবাবে পাল্টা আঘাত হেনেছে তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং অত্যাধুনিক আকাশযানে ইরান স্মরণীয় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির বাহিনী মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত দুই ডজন যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে। এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব বর্তমানে বেশ বিপাকে পড়েছে।
ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া যানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অত্যাধুনিক এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান এবং স্থল সেনাদের সহায়তায় ব্যবহৃত এ-১০ ওয়ার্টহগ। এছাড়া তেহরান তিনটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, একটি উইং লুং-২ এবং একটি হার্মিস ড্রোন ভূপাতিত করার তথ্য দিয়েছে। মধ্য ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া এফ-১৫ বিমানের পাইলটদের উদ্ধারে যাওয়া দুটি মার্কিন হেলিকপ্টারও ইরানি বাহিনীর আক্রমণের মুখে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই ক্ষয়ক্ষতির অধিকাংশ তথ্যই স্বীকার করে নিয়েছে, যা গত কয়েক দশকের মধ্যে তাদের জন্য অন্যতম একটি ধ্বংসাত্মক দিন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংঘাতের এই পর্যায়ে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের কথিত ‘ডুমসডে’ বা ধ্বংসের দিনের নমুনা দেখিয়ে দিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এর আগে গত ৫ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘মিনিটম্যান-৩’ এর পরীক্ষা চালিয়েছিল এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে তাদের রহস্যময় ‘ডুমসডে প্লেন’ উড়িয়ে শক্তির জানান দিয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধের ময়দানে একদিনে এত বিপুল পরিমাণ আকাশযান হারিয়ে বিশ্বজুড়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি একটি বিরল বিপর্যয়। এর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নরম্যান্ডি আক্রমণ কিংবা ইরাক ও আফগান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী প্রাণহানির শিকার হলেও, আধুনিক যুগে একদিনে এত বেশি সংখ্যক উচ্চপ্রযুক্তির যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস হওয়ার নজির নেই। গত ২ মার্চও ইরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের আকাশে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিকে মার্কিন আধিপত্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন