ঢাকা নিউজ

ইরানের মাটিতে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর রুদ্ধশ্বাস অভিযান: এক পাইলট উদ্ধার



 ইরানের মাটিতে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর রুদ্ধশ্বাস অভিযান: এক পাইলট উদ্ধার
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের ৩৫তম দিনে গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ইরানের ভেতরে ঢুকে এক রুদ্ধশ্বাস উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে মার্কিন ‘স্পেশাল ফোর্স’। ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দুই পাইলট প্যারাসুট দিয়ে ইরানি ভূখণ্ডে অবতরণ করার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওয়াশিংটন দাবি করেছে, বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের মাধ্যমে দুই পাইলটের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।

বিমানের দুই ক্রু সদস্য নিরাপদে বের হতে পারলেও তারা ইরানি মাটির প্রতিকূল পরিবেশে আটকা পড়েন, যা নিখোঁজ বৈমানিকদের খুঁজে বের করতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক প্রতিযোগিতার জন্ম দেয়। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া দুটি মার্কিন হেলিকপ্টার ও একটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ফেরার পথে ইরানি বাহিনীর হালকা অস্ত্রের মুখে পড়ে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুটি হেলিকপ্টারই গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং একটি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলো নিরাপদ স্থানে অবতরণ করতে পেরেছে।

এদিকে, নিখোঁজ থাকা দ্বিতীয় পাইলটকে খুঁজে বের করতে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো স্থানীয় মিলিশিয়াদের ব্যাপক তল্লাশির ছবি প্রচার করছে। ইরান এই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে বড় ধরনের কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছে এবং নিখোঁজ মার্কিন বৈমানিককে জীবিত বা মৃত ধরার জন্য ৬০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। শুক্রবার রাত পর্যন্ত ওই পাইলটের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

একই দিনে গভীর রাতে হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি ‘এ-১০ ওয়ার্টহগ’ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে মার্কিন প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ওই বিমানের পাইলটকে দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ বৈমানিকের কোনো ক্ষতি হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬


ইরানের মাটিতে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর রুদ্ধশ্বাস অভিযান: এক পাইলট উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের ৩৫তম দিনে গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ইরানের ভেতরে ঢুকে এক রুদ্ধশ্বাস উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে মার্কিন ‘স্পেশাল ফোর্স’। ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দুই পাইলট প্যারাসুট দিয়ে ইরানি ভূখণ্ডে অবতরণ করার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওয়াশিংটন দাবি করেছে, বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের মাধ্যমে দুই পাইলটের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।

বিমানের দুই ক্রু সদস্য নিরাপদে বের হতে পারলেও তারা ইরানি মাটির প্রতিকূল পরিবেশে আটকা পড়েন, যা নিখোঁজ বৈমানিকদের খুঁজে বের করতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক প্রতিযোগিতার জন্ম দেয়। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া দুটি মার্কিন হেলিকপ্টার ও একটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ফেরার পথে ইরানি বাহিনীর হালকা অস্ত্রের মুখে পড়ে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুটি হেলিকপ্টারই গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং একটি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলো নিরাপদ স্থানে অবতরণ করতে পেরেছে।

এদিকে, নিখোঁজ থাকা দ্বিতীয় পাইলটকে খুঁজে বের করতে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো স্থানীয় মিলিশিয়াদের ব্যাপক তল্লাশির ছবি প্রচার করছে। ইরান এই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে বড় ধরনের কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছে এবং নিখোঁজ মার্কিন বৈমানিককে জীবিত বা মৃত ধরার জন্য ৬০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। শুক্রবার রাত পর্যন্ত ওই পাইলটের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।

একই দিনে গভীর রাতে হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি ‘এ-১০ ওয়ার্টহগ’ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে মার্কিন প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ওই বিমানের পাইলটকে দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ বৈমানিকের কোনো ক্ষতি হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ