ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাসের সাম্প্রতিক মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‘ভণ্ডামি’র দায়ে অভিযুক্ত করেছে অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত ইরান দূতাবাস। মূলত হরমুজ প্রণালি সংকট নিয়ে কালাসের অবস্থানের প্রেক্ষিতে এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। সম্প্রতি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপকালে কালাস হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর জন্য ইরানকে দায়ী করেন।
কালাসের বক্তব্যের জবাবে ইরান দূতাবাস জানিয়েছে, ইইউ প্রধান ইরানের ‘খাঁটি আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপের’ নিন্দা জানালেও ইরানকে লক্ষ্য করে ‘আমেরিকান-ইসরাইলি অশুভ জোটের আগ্রাসী হামলা’ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছেন। আইনি প্রেক্ষাপটে দূতাবাস উল্লেখ করেছে যে, কালাস ইরানকে জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন, অথচ ইরান এই চুক্তির পক্ষভুক্ত কোনো রাষ্ট্র নয়।
দূতাবাস আরও কঠোর ভাষায় কালাসের উপদেষ্টাদের সমালোচনা করে প্রশ্ন তুলেছে যে, তিনি কেমন উপদেষ্টাদের দ্বারা পরিবেষ্টিত যারা তাকে সঠিক পরামর্শ দিতে ব্যর্থ। এছাড়া ইরান অভিযোগ করেছে, দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র অ-প্রসার চুক্তি সম্মান করে চললেও তাদের শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বারবার হামলার শিকার হয়েছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলের দ্বিমুখী আচরণ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের একপাক্ষিক ও পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গিকেই স্পষ্ট করে বলে দাবি করছে ইরান।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাসের সাম্প্রতিক মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‘ভণ্ডামি’র দায়ে অভিযুক্ত করেছে অস্ট্রিয়ায় নিযুক্ত ইরান দূতাবাস। মূলত হরমুজ প্রণালি সংকট নিয়ে কালাসের অবস্থানের প্রেক্ষিতে এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। সম্প্রতি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপকালে কালাস হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর জন্য ইরানকে দায়ী করেন।
কালাসের বক্তব্যের জবাবে ইরান দূতাবাস জানিয়েছে, ইইউ প্রধান ইরানের ‘খাঁটি আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপের’ নিন্দা জানালেও ইরানকে লক্ষ্য করে ‘আমেরিকান-ইসরাইলি অশুভ জোটের আগ্রাসী হামলা’ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছেন। আইনি প্রেক্ষাপটে দূতাবাস উল্লেখ করেছে যে, কালাস ইরানকে জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন, অথচ ইরান এই চুক্তির পক্ষভুক্ত কোনো রাষ্ট্র নয়।
দূতাবাস আরও কঠোর ভাষায় কালাসের উপদেষ্টাদের সমালোচনা করে প্রশ্ন তুলেছে যে, তিনি কেমন উপদেষ্টাদের দ্বারা পরিবেষ্টিত যারা তাকে সঠিক পরামর্শ দিতে ব্যর্থ। এছাড়া ইরান অভিযোগ করেছে, দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র অ-প্রসার চুক্তি সম্মান করে চললেও তাদের শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বারবার হামলার শিকার হয়েছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলের দ্বিমুখী আচরণ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের একপাক্ষিক ও পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গিকেই স্পষ্ট করে বলে দাবি করছে ইরান।

আপনার মতামত লিখুন