ইরানের সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা ইলহামি জানিয়েছেন, তাদের সেনারা নতুন পদ্ধতি এবং আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করে সফলভাবে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ‘শিকার’ করছেন। গতকাল ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) একটি এফ-১৫-ই এবং একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। এর মধ্যে এফ-১৫-ই বিমানটি ইরানের অভ্যন্তরেই বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এ-১০ বিমানটি পারস্য উপসাগরে গিয়ে আছড়ে পড়েছে।
সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তার মতে, সেনাদের উন্নত রণকৌশল এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আনা বিশেষ উদ্ভাবনীর মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। যদিও নিরাপত্তার খাতিরে কী ধরনের নতুন প্রযুক্তি বা কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে, তা তিনি বিস্তারিত প্রকাশ করেননি। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, ইরানের এই নতুন কৌশলের কারণে শত্রুপক্ষ বর্তমানে সম্পূর্ণ বিভ্রান্ত ও হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গতকালই প্রথমবারের মতো ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে সক্ষম হলো। এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমানের দুই ক্রুয়ের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে মার্কিন সেনারা, তবে অন্যজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে, এ-১০ বিমানের পাইলট তার বিমানটি ইরানের আকাশসীমা থেকে বের করে নিতে পারলেও শেষ পর্যন্ত তা হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত হয়।
বিধ্বস্ত এ-১০ বিমানের পাইলট পরবর্তীতে একটি আরব দেশে পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইরানের সামরিক কমান্ডারদের দাবি অনুযায়ী, তাদের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফলে দেশটির আকাশসীমা এখন শত্রু বিমানের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে চলমান সংঘাত এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা ইলহামি জানিয়েছেন, তাদের সেনারা নতুন পদ্ধতি এবং আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করে সফলভাবে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ‘শিকার’ করছেন। গতকাল ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) একটি এফ-১৫-ই এবং একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। এর মধ্যে এফ-১৫-ই বিমানটি ইরানের অভ্যন্তরেই বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এ-১০ বিমানটি পারস্য উপসাগরে গিয়ে আছড়ে পড়েছে।
সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তার মতে, সেনাদের উন্নত রণকৌশল এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আনা বিশেষ উদ্ভাবনীর মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। যদিও নিরাপত্তার খাতিরে কী ধরনের নতুন প্রযুক্তি বা কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে, তা তিনি বিস্তারিত প্রকাশ করেননি। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, ইরানের এই নতুন কৌশলের কারণে শত্রুপক্ষ বর্তমানে সম্পূর্ণ বিভ্রান্ত ও হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গতকালই প্রথমবারের মতো ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে সক্ষম হলো। এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমানের দুই ক্রুয়ের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে মার্কিন সেনারা, তবে অন্যজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে, এ-১০ বিমানের পাইলট তার বিমানটি ইরানের আকাশসীমা থেকে বের করে নিতে পারলেও শেষ পর্যন্ত তা হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত হয়।
বিধ্বস্ত এ-১০ বিমানের পাইলট পরবর্তীতে একটি আরব দেশে পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইরানের সামরিক কমান্ডারদের দাবি অনুযায়ী, তাদের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের ফলে দেশটির আকাশসীমা এখন শত্রু বিমানের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে চলমান সংঘাত এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।

আপনার মতামত লিখুন