ইরান উন্নত আকাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন ভূপাতিত করেছে। আজ শনিবার ইসফাহানে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের অভিযানে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ। এর আগে গত শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে একটি মার্কিন এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমান এবং হরমুজ প্রণালিতে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে দেশটি।
ভূপাতিত এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমানের একজন ক্রুকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অপরজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। সেই নিখোঁজ ক্রুকে খুঁজে বের করতে শুক্রবার রাতে ইরানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের একটি দল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। উদ্ধার অভিযান চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের একটি হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে ইরানি পুলিশ গুলি ছুড়লে সেটির লেজের অংশে আগুন ধরে যায়, তবে হেলিকপ্টারটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্স যখন তাদের নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ওই ক্রুকে নিজেদের কবজায় নিতে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে ইরানি মিলিশিয়ারা। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ সেই ক্রুর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ভূপাতিত এ-১০ বিমানের পাইলট তার বিমানটি ইরানের আকাশসীমা থেকে বের করে পারস্য উপসাগরে আছড়ে ফেলতে সক্ষম হন এবং পরবর্তীতে একটি আরব দেশে আশ্রয় নেন।
গত কয়েক দিনের এই ধারাবাহিক আকাশ যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে ইরান তাদের আকাশসীমায় শত্রু বিমানের প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধারে সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন করেছে। এই পাল্টাপাল্টি অভিযানের ফলে অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরান উন্নত আকাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন ভূপাতিত করেছে। আজ শনিবার ইসফাহানে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের অভিযানে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ। এর আগে গত শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে একটি মার্কিন এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমান এবং হরমুজ প্রণালিতে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে দেশটি।
ভূপাতিত এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমানের একজন ক্রুকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অপরজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। সেই নিখোঁজ ক্রুকে খুঁজে বের করতে শুক্রবার রাতে ইরানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের একটি দল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। উদ্ধার অভিযান চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের একটি হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে ইরানি পুলিশ গুলি ছুড়লে সেটির লেজের অংশে আগুন ধরে যায়, তবে হেলিকপ্টারটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্স যখন তাদের নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ওই ক্রুকে নিজেদের কবজায় নিতে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে ইরানি মিলিশিয়ারা। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ সেই ক্রুর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ভূপাতিত এ-১০ বিমানের পাইলট তার বিমানটি ইরানের আকাশসীমা থেকে বের করে পারস্য উপসাগরে আছড়ে ফেলতে সক্ষম হন এবং পরবর্তীতে একটি আরব দেশে আশ্রয় নেন।
গত কয়েক দিনের এই ধারাবাহিক আকাশ যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। একদিকে ইরান তাদের আকাশসীমায় শত্রু বিমানের প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিখোঁজ সেনাকে উদ্ধারে সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন করেছে। এই পাল্টাপাল্টি অভিযানের ফলে অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন