বিশ্বের মনোযোগ যখন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্ভাব্য যুদ্ধের দিকে নিবদ্ধ, ঠিক তখনই গাজা উপত্যকায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা 'ওয়াফা'-র তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
মাঘাজি শরণার্থী শিবিরের প্রবেশপথে একটি বেসামরিক যানবাহনকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালালে ঘটনাস্থলেই এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত দেইর আল-বালাহ-র আল-আকসা মার্টার্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া গাজা শহরের পূর্বদিকের একটি এলাকায় পৃথক বিমান হামলায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বর্তমানে ৭০৯ জনে পৌঁছেছে এবং আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ১ হাজার ৯২৮ জনে। ওয়াফার পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাজার ২৯১ জনে দাঁড়িয়েছে, যাদের একটি বড় অংশই নারী ও শিশু।
গাজায় চলমান এই মানবিক সংকটের মাঝে নতুন করে হামলা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বৃহত্তর যুদ্ধের দামামা বাজছে, অন্যদিকে গাজার বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর এই নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও বিভীষিকাময় করে তুলছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলের মানবিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে রয়েছে।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বের মনোযোগ যখন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্ভাব্য যুদ্ধের দিকে নিবদ্ধ, ঠিক তখনই গাজা উপত্যকায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা 'ওয়াফা'-র তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
মাঘাজি শরণার্থী শিবিরের প্রবেশপথে একটি বেসামরিক যানবাহনকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালালে ঘটনাস্থলেই এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত দেইর আল-বালাহ-র আল-আকসা মার্টার্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া গাজা শহরের পূর্বদিকের একটি এলাকায় পৃথক বিমান হামলায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বর্তমানে ৭০৯ জনে পৌঁছেছে এবং আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ১ হাজার ৯২৮ জনে। ওয়াফার পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাজার ২৯১ জনে দাঁড়িয়েছে, যাদের একটি বড় অংশই নারী ও শিশু।
গাজায় চলমান এই মানবিক সংকটের মাঝে নতুন করে হামলা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বৃহত্তর যুদ্ধের দামামা বাজছে, অন্যদিকে গাজার বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর এই নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও বিভীষিকাময় করে তুলছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলের মানবিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন