ইরানের রাজধানী তেহরানে এক বিশাল সামরিক অভিযানে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন সামরিক নেতা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
স্থানীয় সময় শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “ইরানের বহু সামরিক নেতা, যারা দেশটিকে ভুল ও অবিবেচকভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারা এই বিশাল হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া হামলায় আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে।” পোস্টের সাথে তিনি একটি ভিডিও সংযুক্ত করেন, যেখানে রাতের আকাশে ভয়াবহ বিস্ফোরণে একটি শহরের দিগন্ত আলোকিত হতে দেখা যায়। তবে এই সুনির্দিষ্ট অভিযানটি ঠিক কখন পরিচালিত হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সূচনা হয়। এর জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণ শুরু হলে সংঘাতটি দ্রুত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে, যা বর্তমানে বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
তেহরানের মতো সুরক্ষিত এলাকায় এমন বড় ধরনের হামলার দাবি এবং শীর্ষ সামরিক নেতাদের নিহতের খবর সত্য হলে তা যুদ্ধের মোড় সম্পূর্ণ ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। ইরানের পক্ষ থেকে এই দাবির বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ওই অঞ্চলে এক থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পরবর্তী পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের আশঙ্কায় বিশ্ববাসী উদ্বিগ্ন।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানে এক বিশাল সামরিক অভিযানে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন সামরিক নেতা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
স্থানীয় সময় শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “ইরানের বহু সামরিক নেতা, যারা দেশটিকে ভুল ও অবিবেচকভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারা এই বিশাল হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া হামলায় আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে।” পোস্টের সাথে তিনি একটি ভিডিও সংযুক্ত করেন, যেখানে রাতের আকাশে ভয়াবহ বিস্ফোরণে একটি শহরের দিগন্ত আলোকিত হতে দেখা যায়। তবে এই সুনির্দিষ্ট অভিযানটি ঠিক কখন পরিচালিত হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সূচনা হয়। এর জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণ শুরু হলে সংঘাতটি দ্রুত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে, যা বর্তমানে বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
তেহরানের মতো সুরক্ষিত এলাকায় এমন বড় ধরনের হামলার দাবি এবং শীর্ষ সামরিক নেতাদের নিহতের খবর সত্য হলে তা যুদ্ধের মোড় সম্পূর্ণ ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। ইরানের পক্ষ থেকে এই দাবির বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ওই অঞ্চলে এক থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পরবর্তী পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের আশঙ্কায় বিশ্ববাসী উদ্বিগ্ন।

আপনার মতামত লিখুন