ইরানের প্রভাবশালী দুই নেতা—সাবেক আইআরজিসি প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানি এবং নিরাপত্তা কাউন্সিলের সাবেক প্রধান ড. আলী লারিজানির স্বজনদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে মার্কিন প্রশাসন। শনিবার (৪ এপ্রিল) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে তাদের গ্রেপ্তার ও দেশান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতি অনুযায়ী, কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি হামিদেহ সোলেইমানি আফশার এবং তার মেয়েকে লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন ফেডারেল এজেন্টরা। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা ‘গ্রিন কার্ড’ বাতিল করার পরপরই ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) তাদের হেফাজতে নেয়। অভিযোগ উঠেছে, আফশার আমেরিকায় বিলাসবহুল জীবনযাপন করেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরান শাসনের প্রচারণা চালাতেন এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা উদযাপন করতেন।
একই সময়ে ড. আলী লারিজানির মেয়ে ফাতিমেহ আরদেশির-লারিজানি এবং তার স্বামী সৈয়দ কালান্টার মোতামেদি-র আইনি মর্যাদাও বাতিল করা হয়েছে। গত ১৭ মার্চ ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ড. লারিজানি নিহত হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। লারিজানির মেয়ে ও তার স্বামীকে ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রবেশের ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানান, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিদেশি নাগরিকদের আবাসে পরিণত হতে দেবে না, যারা দেশটিতে থেকে আমেরিকাবিরোধী শাসনকে সমর্থন করে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই বাগদাদে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন কাসেম সোলেইমানি। বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার উত্তেজনাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের ঘটনাটি মার্কিন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতির একটি কঠোর প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের প্রভাবশালী দুই নেতা—সাবেক আইআরজিসি প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানি এবং নিরাপত্তা কাউন্সিলের সাবেক প্রধান ড. আলী লারিজানির স্বজনদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে মার্কিন প্রশাসন। শনিবার (৪ এপ্রিল) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে তাদের গ্রেপ্তার ও দেশান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতি অনুযায়ী, কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি হামিদেহ সোলেইমানি আফশার এবং তার মেয়েকে লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন ফেডারেল এজেন্টরা। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা ‘গ্রিন কার্ড’ বাতিল করার পরপরই ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) তাদের হেফাজতে নেয়। অভিযোগ উঠেছে, আফশার আমেরিকায় বিলাসবহুল জীবনযাপন করেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরান শাসনের প্রচারণা চালাতেন এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা উদযাপন করতেন।
একই সময়ে ড. আলী লারিজানির মেয়ে ফাতিমেহ আরদেশির-লারিজানি এবং তার স্বামী সৈয়দ কালান্টার মোতামেদি-র আইনি মর্যাদাও বাতিল করা হয়েছে। গত ১৭ মার্চ ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ড. লারিজানি নিহত হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। লারিজানির মেয়ে ও তার স্বামীকে ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রবেশের ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানান, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিদেশি নাগরিকদের আবাসে পরিণত হতে দেবে না, যারা দেশটিতে থেকে আমেরিকাবিরোধী শাসনকে সমর্থন করে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই বাগদাদে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন কাসেম সোলেইমানি। বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার উত্তেজনাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের ঘটনাটি মার্কিন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতির একটি কঠোর প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন