ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় তালাউদ দ্বীপপুঞ্জের উপকূলীয় এলাকায় ৬.০ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৯৯ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ফিলিপাইনের মিনদানো দ্বীপের সারাঙ্গানি প্রদেশ থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা হ্যারি সাউরো বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছেন, কম্পনটি ওই অঞ্চলে সামান্য অনুভূত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-ভৌতিক সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। উল্লেখ্য যে, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এই এলাকায় নিয়মিত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই সক্রিয় টেকটোনিক জোনে অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া প্রায়ই মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সম্মুখীন হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে উদ্ধারকারী দলগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় তালাউদ দ্বীপপুঞ্জের উপকূলীয় এলাকায় ৬.০ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৯৯ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ফিলিপাইনের মিনদানো দ্বীপের সারাঙ্গানি প্রদেশ থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা হ্যারি সাউরো বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছেন, কম্পনটি ওই অঞ্চলে সামান্য অনুভূত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-ভৌতিক সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। উল্লেখ্য যে, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এই এলাকায় নিয়মিত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই সক্রিয় টেকটোনিক জোনে অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া প্রায়ই মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সম্মুখীন হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে উদ্ধারকারী দলগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন