র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত হবে কি না, সেটি সম্পূর্ণ সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বাহিনীর নতুন মহাপরিচালক আহসান হাবিব পলাশ। রোববার দুপুরে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে র্যাবের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। গত দেড় বছর র্যাব যেভাবে পরিচালিত হয়েছে, সেই ধারা বজায় রাখতে পারলে বাহিনীর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
র্যাবের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রসঙ্গে মহাপরিচালক জানান, অতীতে কিছু বিচ্যুতির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হলেও বর্তমানে কাজের মাধ্যমে সেই কলঙ্ক মুছে ফেলতে চায় বাহিনী। র্যাবের নাম পরিবর্তন বা পুনর্গঠনের বিষয়টিও সরকারের এখতিয়ারভুক্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া ক্রসফায়ারের তথ্য তলব বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো সহযোগিতা চাওয়া হলে র্যাব স্বচ্ছতার সঙ্গে সব তথ্য সরবরাহ করবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে র্যাবের সাফল্য তুলে ধরে আহসান হাবিব পলাশ জানান, গত ৯০ দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩০০টি অস্ত্র উদ্ধার এবং ১০৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া সীতাকুণ্ডে র্যাব সদস্য হত্যার ঘটনায় ২০ জনকে গ্রেপ্তারসহ দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জলদস্যুতা, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
দেশে ক্রমবর্ধমান ‘কিশোর গ্যাং’ কালচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে র্যাব ডিজি বলেন, এটি মোকাবিলায় পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে কাজ করছে। তবে কিশোরদের আইনের আওতায় আনা অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে বাহিনীর অভ্যন্তরে কোনো অনিয়ম বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত হবে কি না, সেটি সম্পূর্ণ সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বাহিনীর নতুন মহাপরিচালক আহসান হাবিব পলাশ। রোববার দুপুরে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে র্যাবের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। গত দেড় বছর র্যাব যেভাবে পরিচালিত হয়েছে, সেই ধারা বজায় রাখতে পারলে বাহিনীর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
র্যাবের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রসঙ্গে মহাপরিচালক জানান, অতীতে কিছু বিচ্যুতির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হলেও বর্তমানে কাজের মাধ্যমে সেই কলঙ্ক মুছে ফেলতে চায় বাহিনী। র্যাবের নাম পরিবর্তন বা পুনর্গঠনের বিষয়টিও সরকারের এখতিয়ারভুক্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া ক্রসফায়ারের তথ্য তলব বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় কোনো সহযোগিতা চাওয়া হলে র্যাব স্বচ্ছতার সঙ্গে সব তথ্য সরবরাহ করবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে র্যাবের সাফল্য তুলে ধরে আহসান হাবিব পলাশ জানান, গত ৯০ দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩০০টি অস্ত্র উদ্ধার এবং ১০৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া সীতাকুণ্ডে র্যাব সদস্য হত্যার ঘটনায় ২০ জনকে গ্রেপ্তারসহ দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জলদস্যুতা, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
দেশে ক্রমবর্ধমান ‘কিশোর গ্যাং’ কালচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে র্যাব ডিজি বলেন, এটি মোকাবিলায় পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে কাজ করছে। তবে কিশোরদের আইনের আওতায় আনা অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে বাহিনীর অভ্যন্তরে কোনো অনিয়ম বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

আপনার মতামত লিখুন