মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক পররাষ্ট্রনীতি ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে তাঁর ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতিসংঘের পারমাণবিক নজরদারি সংস্থার (আইএইএ) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ আলবারাদি। ট্রাম্পকে ‘পাগল’ আখ্যা দিয়ে তিনি সতর্ক করেছেন যে, তাঁর বর্তমান কর্মকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে একটি ‘আগুনের গোলায়’ পরিণত করতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে আলবারাদি উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই উন্মাদনা পুরো অঞ্চলকে ধ্বংস করার আগেই যেন তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
ট্রাম্পের এই কর্মকাণ্ড বন্ধে আলবারাদি জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনসহ চীন ও রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া একটি আলটিমেটামের প্রেক্ষাপটে আলবারাদি এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। ট্রাম্প ইরানকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন যে, দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে অথবা গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে; অন্যথায় ৪৮ ঘণ্টা পর ‘পুরো নরক নেমে আসবে’।
৮৩ বছর বয়সি মোহাম্মদ আলবারাদি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত সম্মানিত একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আইএইএ-র মহাপরিচালক ছিলেন। পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে অনবদ্য অবদানের জন্য ২০০৫ সালে তিনি এবং তাঁর সংস্থা যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি মিশরের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক অবস্থান এবং ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতের যে প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগেরই প্রতিফলন ঘটেছে আলবারাদির এই মন্তব্যে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে তাঁর এই হুঁশিয়ারি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক পররাষ্ট্রনীতি ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে তাঁর ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতিসংঘের পারমাণবিক নজরদারি সংস্থার (আইএইএ) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ আলবারাদি। ট্রাম্পকে ‘পাগল’ আখ্যা দিয়ে তিনি সতর্ক করেছেন যে, তাঁর বর্তমান কর্মকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে একটি ‘আগুনের গোলায়’ পরিণত করতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে আলবারাদি উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই উন্মাদনা পুরো অঞ্চলকে ধ্বংস করার আগেই যেন তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
ট্রাম্পের এই কর্মকাণ্ড বন্ধে আলবারাদি জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনসহ চীন ও রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া একটি আলটিমেটামের প্রেক্ষাপটে আলবারাদি এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। ট্রাম্প ইরানকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন যে, দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে অথবা গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে; অন্যথায় ৪৮ ঘণ্টা পর ‘পুরো নরক নেমে আসবে’।
৮৩ বছর বয়সি মোহাম্মদ আলবারাদি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত সম্মানিত একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আইএইএ-র মহাপরিচালক ছিলেন। পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে অনবদ্য অবদানের জন্য ২০০৫ সালে তিনি এবং তাঁর সংস্থা যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি মিশরের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক অবস্থান এবং ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতের যে প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগেরই প্রতিফলন ঘটেছে আলবারাদির এই মন্তব্যে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে তাঁর এই হুঁশিয়ারি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন