ঢাকা নিউজ

কুয়েতের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইরানের ড্রোন হামলা; ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ড



কুয়েতের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইরানের ড্রোন হামলা; ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ড
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার পারদ আরও চড়িয়ে কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার (৫ এপ্রিল) চালানো এই হামলায় কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (কেপিসি) বেশ কিছু স্থাপনায় বড় ধরনের বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এই খবর নিশ্চিত করেছে।

কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কুয়েত ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানি এবং পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির স্থাপনাগুলো এই হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া না গেলেও স্থাপনাগুলোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

হামলার প্রভাব কেবল জ্বালানি খাতের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকেনি; ইরানের এই ড্রোন হামলায় কুয়েতের দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করার (ডেসালিনেশন) প্ল্যান্টও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে কুয়েতের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলটিমেটাম এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই কুয়েতের মতো শান্ত দেশে এই হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই হামলার পর পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বড় ধরণের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬


কুয়েতের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইরানের ড্রোন হামলা; ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার পারদ আরও চড়িয়ে কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার (৫ এপ্রিল) চালানো এই হামলায় কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (কেপিসি) বেশ কিছু স্থাপনায় বড় ধরনের বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এই খবর নিশ্চিত করেছে।

কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কুয়েত ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানি এবং পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির স্থাপনাগুলো এই হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া না গেলেও স্থাপনাগুলোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

হামলার প্রভাব কেবল জ্বালানি খাতের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকেনি; ইরানের এই ড্রোন হামলায় কুয়েতের দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করার (ডেসালিনেশন) প্ল্যান্টও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে কুয়েতের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলটিমেটাম এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই কুয়েতের মতো শান্ত দেশে এই হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই হামলার পর পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বড় ধরণের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ