ইরানের ভূখণ্ডে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানের পাল্টা জবাবে বড় ধরনের সামরিক সাফল্যের দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দক্ষিণ ইসফাহানে ইরানি বাহিনীর অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ সামরিক পরিবহন বিমান এবং দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
এর আগে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, ভূপাতিত একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে মার্কিন বাহিনীর পরিচালিত বিশেষ অভিযানের সময় অন্তত একটি সি-১৩০ বিমান ধ্বংস হয়েছিল। তবে আইআরজিসি-র সর্বশেষ বিবৃতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দাবি, মার্কিন উদ্ধারকারী দলের ব্যবহৃত একাধিক আকাশযান ইরানি বাহিনীর নিখুঁত লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
দক্ষিণ ইসফাহানের এই ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এসব আকাশযান ধ্বংসের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বার্তায় উদ্ধার অভিযানকে ‘সফল’ দাবি করেছিলেন, তবে ইরানের এই নতুন দাবি সেই দাবিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সি-১৩০-এর মতো বড় পরিবহন বিমান এবং ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস হওয়ার খবর সত্য হলে এটি মার্কিন বাহিনীর জন্য একটি বিশাল কৌশলগত ও আর্থিক ধাক্কা। ইরানের এই পাল্টা আঘাত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। বর্তমানে ওই এলাকায় আকাশপথে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং উভয় পক্ষই পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য রণপ্রস্তুতি নিচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের ভূখণ্ডে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানের পাল্টা জবাবে বড় ধরনের সামরিক সাফল্যের দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দক্ষিণ ইসফাহানে ইরানি বাহিনীর অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ সামরিক পরিবহন বিমান এবং দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
এর আগে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, ভূপাতিত একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে মার্কিন বাহিনীর পরিচালিত বিশেষ অভিযানের সময় অন্তত একটি সি-১৩০ বিমান ধ্বংস হয়েছিল। তবে আইআরজিসি-র সর্বশেষ বিবৃতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দাবি, মার্কিন উদ্ধারকারী দলের ব্যবহৃত একাধিক আকাশযান ইরানি বাহিনীর নিখুঁত লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
দক্ষিণ ইসফাহানের এই ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এসব আকাশযান ধ্বংসের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বার্তায় উদ্ধার অভিযানকে ‘সফল’ দাবি করেছিলেন, তবে ইরানের এই নতুন দাবি সেই দাবিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সি-১৩০-এর মতো বড় পরিবহন বিমান এবং ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস হওয়ার খবর সত্য হলে এটি মার্কিন বাহিনীর জন্য একটি বিশাল কৌশলগত ও আর্থিক ধাক্কা। ইরানের এই পাল্টা আঘাত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। বর্তমানে ওই এলাকায় আকাশপথে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং উভয় পক্ষই পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য রণপ্রস্তুতি নিচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা।

আপনার মতামত লিখুন