পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইকোনমিক টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) এই ফোনালাপটি অনুষ্ঠিত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এস. জয়শঙ্কর জানান, “ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে একটি ফোনকল পেয়েছি। আমাদের মধ্যে অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।” তবে আলোচনার বিস্তারিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ফোনালাপটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চরম সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন পথটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ভারতের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের একটি বিশাল অংশ এই পথ দিয়ে আসে, ফলে হরমুজ প্রণালির স্থিতিশীলতা ভারতের জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভারত বর্তমানে এই অঞ্চলের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। একদিকে ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সম্পর্ক, অন্যদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষা—এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এই ফোনালাপ মূলত মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় ধরণের সংঘাত এড়াতে ভারতের সক্রিয় ভূমিকারই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস ও এক্স।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইকোনমিক টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) এই ফোনালাপটি অনুষ্ঠিত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এস. জয়শঙ্কর জানান, “ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে একটি ফোনকল পেয়েছি। আমাদের মধ্যে অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।” তবে আলোচনার বিস্তারিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ফোনালাপটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চরম সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন পথটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ভারতের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের একটি বিশাল অংশ এই পথ দিয়ে আসে, ফলে হরমুজ প্রণালির স্থিতিশীলতা ভারতের জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভারত বর্তমানে এই অঞ্চলের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। একদিকে ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সম্পর্ক, অন্যদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষা—এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতে ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এই ফোনালাপ মূলত মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় ধরণের সংঘাত এড়াতে ভারতের সক্রিয় ভূমিকারই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস ও এক্স।

আপনার মতামত লিখুন