মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকির মুখেও মাথা নত না করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। রোববার (৫ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক উপ-প্রধান সাইয়্যেদ মেহদি তাবাতাবায়ী জানিয়েছেন, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ পেলেই কেবল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তাবাতাবায়ী এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পোস্টে জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ‘ট্রানজিট ফি’-র ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এই ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ‘ইরান উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকির কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, "এই ধরনের হুমকি আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চরম হতাশা ও ক্ষোভ থেকে আসা আজেবাজে কথা ছাড়া আর কিছু নয়।"
এদিকে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন ট্রাম্পের এই হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘যুদ্ধাপরাধের স্পষ্ট প্রমাণ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় ইরানি মিশন বলেছে, ট্রাম্প ইরানের বেসামরিক জনগণের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিচ্ছেন, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। তারা জাতিসংঘের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছে, বিশ্ববিবেক জাগ্রত থাকলে এমন নির্লজ্জ হুমকির মুখে সংস্থাটি চুপ থাকত না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একদিকে ট্রাম্প যেখানে সামরিক শক্তি প্রয়োগের চরম আল্টিমেটাম দিচ্ছেন, অন্যদিকে ইরান আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণের দাবি তুলে ধরছে। এই কূটনৈতিক ও সামরিক অচলাবস্থার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকির মুখেও মাথা নত না করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। রোববার (৫ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক উপ-প্রধান সাইয়্যেদ মেহদি তাবাতাবায়ী জানিয়েছেন, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ পেলেই কেবল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তাবাতাবায়ী এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পোস্টে জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ‘ট্রানজিট ফি’-র ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এই ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ‘ইরান উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকির কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, "এই ধরনের হুমকি আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চরম হতাশা ও ক্ষোভ থেকে আসা আজেবাজে কথা ছাড়া আর কিছু নয়।"
এদিকে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন ট্রাম্পের এই হুমকির তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘যুদ্ধাপরাধের স্পষ্ট প্রমাণ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় ইরানি মিশন বলেছে, ট্রাম্প ইরানের বেসামরিক জনগণের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিচ্ছেন, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। তারা জাতিসংঘের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছে, বিশ্ববিবেক জাগ্রত থাকলে এমন নির্লজ্জ হুমকির মুখে সংস্থাটি চুপ থাকত না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একদিকে ট্রাম্প যেখানে সামরিক শক্তি প্রয়োগের চরম আল্টিমেটাম দিচ্ছেন, অন্যদিকে ইরান আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণের দাবি তুলে ধরছে। এই কূটনৈতিক ও সামরিক অচলাবস্থার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা।

আপনার মতামত লিখুন